ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

হাকালুকিতে কমেছে অতিথি পাখি

জেলা প্রতিনিধি | মৌলভীবাজার | প্রকাশিত: ০৮:৪২ এএম, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার ৫টি উপজেলায় ২৩৮টি বিল ও ১০টি নদী নিয়ে গঠিত দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি। শীত শুরুর সঙ্গে সঙ্গে এ হাওরে শীতপ্রধান দেশ থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে আসতে শুরু করে শত শত প্রজাতির অতিথি পাখি। সুদূর সাইবেরিয়া ও হিমালয়ের পাদদেশ লাদাক থেকে অতিথি পাখি আসে হাকালুকি হাওরে। ভিনদেশী বিচিত্র রঙের এসব অতিথি পাখি হাকালুকি হাওরে আসা শত শত পর্যটকদের বিনোদনের অন্যতম খোরাক। কিন্তু আজকাল হাকালুকি হাওরে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে পাখির সংখ্যা।

অতিথি পাখিরা হাকালুকি হাওরের চকিয়া, কাংলি, গোবরকুড়ি, গৌড়কুড়ি, জল্লা, হাওরখাল, পিংলা, কালাপানি, মালাম, বাইয়াগজুয়া, নাগুয়ালরীবাই, ফুটবিল ও কৈয়াকোনা বিলে আশ্রয় নেয়। এক সময় এই হাওর অতিথি পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল হলেও সাম্প্রতিক বছর গুলোতে হাওরটি অতিথি পাখির জন্য অনিরাপদ হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হাওরে অনেক দুষ্প্রাপ্য মাছ ফিরে আসার পাশাপাশি উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু হাওরে নিমজ্জিত বন ধ্বংস এবং বিষটোপ দিয়ে শিকারের কারণে অতিথি পাখি আর আগের মতো আসছে না। আগে ৫০-৬০ প্রজাতির পাখি আসলেও এ বছর বড়জোর ৩০-৩০ প্রজাতির পাখি এসেছে। এভাবে চলতে থাকলে হাওর একসময় পাখিশূন্য হয়ে পড়বে।

তারা মনে করেন, অবিলম্বে হাওরে নিমজ্জিত বনে মহিষ চরানো ও বিষটোপ দিয়ে পাখি শিকার বন্ধ করা না গেলে চরম হুমকিতে পড়বে হাওরের জীববৈচিত্র।

এফএ/এমএস

আরও পড়ুন