ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

যমুনার চরে আটকে আছে শতাধিক জাহাজ

জেলা প্রতিনিধি | সিরাজগঞ্জ | প্রকাশিত: ০৪:২৫ পিএম, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীতে যথাসময়ে ড্রেজিং না করায় নাব্যতা সংকটে শাহজাদপুরে নদীর চরে আটকে পড়েছে শতাধিক সার, তেল ও কয়লাবাহী কার্গো জাহাজ।

বাঘাবাড়ি নৌবন্দরগামী ইউরিয়া সার, জ্বালানি তেল ও কয়লাবাহী ১৩০টি কার্গো জাহাজ গোয়ালন্দ পাটুরিয়া ও দৌলদিয়া পয়েন্টে গত ১ সপ্তাহ ধরে নোঙর করে রাখা হয়েছে।

এতে বাঘাবাড়ি নৌবন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। তবে যথাসময়ে ড্রেজিং না করার কারণে যমুনার ৫টি পয়েন্টে এ নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব মাস্টার এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, প্রায় একমাস ধরেই যমুনায় নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে যমুনা নদীর চর পেঁচাকোলা, মোল্লার চর, ব্যাটারির চর, কৈটোলা চর ও মোহনগঞ্জ এলাকায় পানির গভীরতা কমে গেছে।

ফলে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া থেকে সার, তেল ও কয়লাবাহী কোনো জাহাজ বাঘাবাড়ি নৌবন্দরে আসছে না। চরে আটকে আছে ১৩০টি কার্গো জাহাজ। এতে উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এ বন্দরটি প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে বাঘাবাড়ি বন্দরের ইজারাদার আব্দুস সালাম বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে যমুনা নদীতে ড্রেজিং না করার কারণে নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। প্রতি বছরই শুষ্ক মৌসুমে এ ধরনের সমস্যা হলেও কর্তৃপক্ষ যথাসময়ে ড্রেজিং করে না। এতে মোল্লার চর, ব্যাটারির চর, মোহনগঞ্জ, কৈটোলা ও চর পেচাকোলা পয়েন্ট দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় লেবার এজেন্ট আব্দুল মজিদ ও আবুল হোসেন জানান, নাব্যতা সংকটের কারণে গত একমাস ধরে বাঘাবাড়ি নৌবন্দরে সরাসরি কোনো জাহাজ ভিড়তে পারেনি। ফলে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম কমে গেছে। বাঘাবাড়ি নৌবন্দরে জাহাজ ভিড়তে না পারায় তাদের প্রায় পাঁচ থেকে সাতশ শ্রমিক কর্মসংস্থান হারিয়েছে। এ মৌসুমে বাঘাবাড়ি নৌবন্দর ঘাটে প্রতিদিন ১২০০ থেকে ১৩০০ শ্রমিক কাজ করতো। এখন মাত্র আড়াইশ থেকে তিনশ শ্রমিক কাজে নিয়োজিত রয়েছে।

বাঘাবাড়ি পোর্ট অফিসার সাজ্জাদ হোসেন জানান, যমুনায় নদীতে ড্রেজিংয়ের কাজ চলছে। তবে লাইটারেজের মাধ্যমে দিনে দুই থেকে তিনটি জাহাজ নৌবন্দরে ভিড়ানো হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে দু’একদিনের মধ্যে নৌচলাচল স্বাভাবিক হবে।

ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এএম/পিআর

আরও পড়ুন