রোহিঙ্গা নারীকে নিয়ে পালাতে গিয়ে...
ছবি-ফাইল
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প থেকে গোপনে বিয়ে করে রোহিঙ্গা নারীকে নিয়ে পালানোর সময় ধরা পড়েছেন আবদুল হাকিম (৪০) নামে এক বাংলাদেশি। এ ঘটনায় তাকে চার মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
বুধবার রাতে উখিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট একরামুল ছিদ্দিক তার অফিসে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ সাজা দেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, রামু উপজেলার পূর্ব ধেছুয়া গ্রামের নুর আহমদের ছেলে আবদুল হাকিম বাঁশের ব্যবসার জন্য উখিয়ার কুতুপালং আন-রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাতায়াত করতেন। সেই সুবাধে ওই ক্যাম্পের রোহিঙ্গা নারী রেহেনা বেগমের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে তিনি প্রথম স্ত্রী হাসিনা আক্তারের অনুমতি না নিয়েই রেহেনাকে বিয়ে করে ফেলেন। আবদুল হাকিমের ঘরে ৭ ছেলে-মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ে তফুরা বেগমকে উখিয়ার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়া গ্রামের আবু বক্করের সঙ্গে বিয়েও দিয়েছেন। বুধবার আবদুল হাকিম রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রেহেনাকে নিয়ে পালানোর সময় ক্যাম্প পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে হাজির করে সাজা দেয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট একরামুল ছিদ্দিক জানান, বিয়েতে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নেয়ায় এবং রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ে করার অপরাধে আবদুল হাকিমকে চার মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক বজলুর রশিদ আখন্দ জানান, রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ের অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আবদুল হাকিমকে কারাগারে আনা হয়েছে।
সায়ীদ আলমগীর/আরএআর/জেআইএম