ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব, প্রতিবাদ করায় স্বামী জেলে!

জেলা প্রতিনিধি | সাতক্ষীরা | প্রকাশিত: ০৯:২৩ পিএম, ২১ মার্চ ২০১৮

কুপ্রস্তাবের প্রতিবাদ করায় স্বামীকে কারাগারে দেয়া হয়েছে অভিযোগ তোলে অ্যাডভোকেট মিজানসহ এক চোরাকারবারীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাতক্ষীরা শহরের বাটকেখালী ঋষিপাড়া গ্রামের আব্দুল হাইয়ের স্ত্রী শিল্পী খাতুন।

বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শিল্পী খাতুন বলেন, আমার একমাত্র ছেলে রাকিবকে প্রতিদিন সকালে আমি স্কুলে পৌঁছে দিয়ে আসি। আসা-যাওয়ার পথে মৃত. জব্বার মুন্সির ছেলে রেজাউলের সঙ্গে আমার প্রতিনিয়ত দেখা হতো।

কয়েকদিন আগে রেজাউল আমাকে রাস্তায় একা পেয়ে কুপ্রস্তাব দেয়। ওদিন বাড়ি এসে আমার স্বামীকে বিষয়টি জানাই। এরপর রেজাউলের কাছে যেয়ে আমার স্বামী আর কখনো এ ধরনের প্রস্তাব না দেয়ার জন্য রেজাউলকে নিষেধ করে।

এ ঘটনায় চিহ্নিত চোরাকারবারী রেজাউল ইসলাম ও তার সহযোগী অ্যাডভোকেট মিজান আমার স্বামীকে পুলিশ দিয়ে আটক করায় এবং ৩ দিন পর মিথ্যা চুরির মামলায় জেলে পাঠিয়ে দেয়।

আমার স্বামী শহরের বকুল তলার মোড়ে রোম টেইলার্সে লন্ড্রির কাজ করে। তার নামে ইতোপূর্বে কখনো কোনো অভিযোগ ছিল না। আমাকে কুপ্রস্তাব দেয়ার প্রতিবাদ করায় মিথ্যা চুরির মামলায় তাকে জেলে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অ্যাডভোকেট মিজান আমার স্বামীর অন্য ভাইদেরও মিথ্যা মামলায় জড়ানোর জন্য পাঁয়তারা করছে।

তিনি আরও বলেন, রেজাউল তার বাড়িতে চুরি হয়েছে বলে দাবি করছেন। অথচ তার বাড়িতে চুরি হয়েছে এমন ঘটনা এলাকাবাসী কেউ জানে না। পুলিশ দোকান থেকে আমার স্বামীকে গত ১৯ মার্চ সন্ধ্যায় আটক করে।

এরপর অ্যাডভোকেট মিজান ও রেজাউলের কথামতো পুলিশ ৩ দিন আমার স্বামীকে থানায় আটক রাখে। পরে তার নামে মিথ্যা চুরির মামলা দিয়ে জেলহাজতে পাঠায়। যা সম্পূর্ণ অন্যায় ও অনৈতিকভাবে করা হয়েছে। আমি আমার স্বামীর নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং চোরাকারবারী রেজাউল এবং অ্যাডভোকেট মিজানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের ওসি মারুফ আহম্মেদ জাগো নিউজকে বলেন, চুরির ঘটনার পর আমি নিজেই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম এবং সেখানে চুরির আলামত পাওয়া যায়। এরপর থানায় একটি চুরির মামলা হয়। মামলায় এজাহার নামীয় আসামি হিসেবে আব্দুল হাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে সে চুরির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এখনো মামলার তদন্ত চলছে।

আকরামুল ইসলাম/এএম/জেআইএম

আরও পড়ুন