ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

পাবনায় সুচিত্রা সেনের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী পালন

জেলা প্রতিনিধি | পাবনা | প্রকাশিত: ০৫:২৬ পিএম, ০৬ এপ্রিল ২০১৮

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি মহানায়িকা পাবনার মেয়ে সুচিত্রা সেনের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় শুক্রবার দিবসটি পালনে পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করে পাবনা জেলা প্রশাসন ও সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ।

এ উপলক্ষে শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালি শেষে পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আতিউর রহমান, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক শিবজিত নাগ, সাধারণ সম্পাদক আঁখিনূর ইসলাম রেমন, বিটিভি পাবনা প্রতিনিধি আব্দুল মতীন খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীমা আক্তার, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল জব্বার প্রমুখ।

Pabna-Shuchitra-1

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাফিউল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আই সিটি) এবি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল করিম, উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) সালমা খাতুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন

পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন জেলার বিশিষ্ট শিল্পীবৃন্দ। এছাড়াও সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংগ্রহশালায় সকাল ১০টা থেকে দিনভর রাখা হয় চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর ব্যবস্থা। সন্ধ্যায় ললিতকলা ইফা প্রাঙ্গণে সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে কেক কাটা এবং আলোচনা সভাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সুচিত্রা সেন ওরফে রমা ওরফে কৃঞ্চা ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল তার পৈত্রিক নিবাস পাবনা শহরের গোপালপুর মৌজার হেম সাগর লেনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পাবনা শহরের মহাকালি পাঠশালায় পড়াশুনা করেন। পরে ভর্তি হন পাবনার বর্তমানে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখানে নবম শ্রেণিতে পড়াকালীন ভারতে চলে যান এবং বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার বাবা পাবনা পৌরসভায় সেনেটারি ইনস্পেক্টর পদ থেকে অবসরে যান এবং ৫০ এর দশকে ভারতে চলে গেলে বাড়িটি সরকারের হেফাজতে চলে যায়। ৯০ এর দশকে বাড়িটি জামায়াতের একটি প্রতিষ্ঠানকে লিজ দেয়া হয়। পরে সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলনের ফলে বাড়িটি দখলমুক্ত করা হয়। এখন সেটি সুচিত্রা সেন সংগ্রহশালা হিসেবে সর্বস্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

একে জামান/আরএআর/পিআর

আরও পড়ুন