ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

পরিবর্তিত জলবায়ুতে সহনশীল জাতের ফসল উৎপাদনের তাগিদ

জেলা প্রতিনিধি | পটুয়াখালী | প্রকাশিত: ১০:১২ এএম, ২২ এপ্রিল ২০১৮

জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণে পৃথিবীর উষ্ণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে হুমকির মুখে রয়েছে পৃথিবীর খাদ্য নিরাপত্তা। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণের কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া কৃষি ব্যবস্থার অধুনিকায়নসহ পরিবেশের সঙ্গে খাপ খেতে পারে এমন সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন ও তা মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়ার তাগিদও দিচ্ছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। তা না হলে পরিবর্তিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় মানুষের জীবন ও জীবিকায় দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আগামী কয়েক দশকে পৃথিবীর তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা। আর এ ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি হুমকির মুখে পড়বে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা। ইতোমধ্যে দেশের দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকার কৃষি জমিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা যেমন বাড়ছে তেমনি অনাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এ অঞ্চলের মানুষকে ভাবিয়ে তুলছে। আগামী দিনগুলোতে এই দুর্যোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে ফসলের উৎপাদন যেমন বাধাগ্রস্ত হবে তেমনি অনাবাদী জমির পরিমাণও বাড়বে বলে মনে করেন তার।

patuakhali

এদিকে গাজীপুরের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের গবেষণা বিভাগের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড.আ.সা.ম মাহবুবুর রহমান বলেন, পরিবর্তিত এই পরিস্থিতি মাথায় রেখে উপকূলীয় এলাকার পরিবেশ বিবেচনায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কাজ করছে। লবণাক্ততা, বন্যা ও তাপ সহিষ্ণু বিভিন্ন জাতের ধান, গমসহ ডাল ও তেল জাতীয় ফসলের বেশ কিছু জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। যা ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে ভালো ফলন দিচ্ছে।

একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আককাছ আলী বলেন, উপকূলীয় এলাকায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট উদ্ভাবিত বারি মুগ-৫, বারি মুগ-৬, বারি সূর্যমুখী-২, বারি হাউব্রিড ভুট্টা-৯, বারি টমেটো-১৪, বারি গম-২৫, বারি হাইব্রিড মিষ্টিকুমড়া-১, বারি মরিচ-১, বারি বিটি বেগুন-২, বারি সরিষা-১৪, বারি ফেলন-১, বারি খেসারি-২ সহ ধানের বেশ কয়েকটি জাত চাষাবাদের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। আর বারি উদ্ভাবিত এসব ফসল কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে বলেও জানান মাঠ পর্যায়ের এই কৃষি বিজ্ঞানী।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/এফএ/জেআইএম

আরও পড়ুন