ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সাতক্ষীরায় শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

জাগো নিউজ ডেস্ক | সাতক্ষীরা | প্রকাশিত: ১১:০৪ এএম, ২২ এপ্রিল ২০১৮

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সোহাগ হোসেন (২৭) পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় শনিবার দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটের দিকে কলারোয়া উপজেলার হিজলদি সীমান্তে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার সময় পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি অনশুটার গান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে।

কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার কেড়াছাগাছি ইউনিয়নের পশ্চিম বোয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ৯ বছরের শিশু ধর্ষনের ঘটনায় গতকাল শনিবার শিশুটির নানি বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয় বোয়ালিয়া গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে সোহাগ হোসেনকে। এ ঘটনার পর পুলিশের এসআই সোলাইমানের নেতৃত্বে তাকে গ্রেফতারে জন্য পুলিশ অভিযানে নামে।

তিনি আরও জানান, অভিযানের খবর পেয়ে সোহাস হোসেন রাত আড়াইটার দিকে হিজলদি সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছুড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ব হয়ে সোহাগ হোসেন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার সময় পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি অনশুটার গান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

উল্লেখ্য, কলারোয়া উপজেলার কেড়াছাগাছি ইউনিয়নের পশ্চিম বোয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ৯ বছরের শিশু কন্যা ওই গ্রামে তার নানির বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করে আসছে। শনিবার সকাল ১১টার দিকে বোয়ালিয়া গ্রামের তার নানির বাড়ির পাশ্ববর্তী একটি পুকুরে গোসল করতে গেলে আগে থেকেই থেকে ওৎ পেতে থাকা একই গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে লম্পট সোহাগ হোসেন তাকে জাপটে ধরে জোরপূর্বক পাশবিক নির্যাতন করে। এ সময় মেয়েটির চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে সোহাগ পালিয়ে যায় ।

ঘটনার পর আহত ৯ বছরের ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এসআর/জেআইএম

আরও পড়ুন