ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কক্সবাজার পৌরসভার ভোট ২৫ জুলাই

জেলা প্রতিনিধি | কক্সবাজার | প্রকাশিত: ০৯:৪৫ পিএম, ১২ জুন ২০১৮

প্রায় ৭ বছর পর অবশেষে ঘোষণা করা হয়েছে কক্সবাজার পৌর পরিষদের বহুল আকাঙ্ক্ষিত নির্বাচনী তফসিল। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৫ জুলাই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (১০ জুন) দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় কক্সবাজার পৌরসভার তফসিল ঘোষণা করে। একই সঙ্গে নরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাচনের তফসিলও ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২৪ জুন, মনোনয়নপত্র বাছাই ২৬ জুন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৩ জুলাই ও ভোটগ্রহণ ২৫ জুলাই নির্ধারণ করা হয়।

গত মে মাসে কক্সবাজার সফরে এসে পৌরসভা নির্বাচনের ইঙ্গিত দেন নির্বাচন কমিশন সচিব মো. হেলাল উদ্দিন। এরপর থেকেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়। বিশেষ করে বড় দুটি রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে মাঠে নামে। এ কাজে দৃশ্যমানভাবে বিভিন্ন ওয়ার্ডে যান দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান। তিনি প্রতিদিনই শহরের কোনো না কোনো এলাকার মসজিদে নামাজ পরবর্তী লোকজনের খোঁজ খবর নিচ্ছেন।

তার মতো দৃশ্যমান না হলেও বসে নেই আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত, জাতীয়পার্টিসহ স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করতে ইচ্ছুক সম্ভাব্য প্রার্থীরা।

২০১১ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী থাকায় এবারও ক্ষমতাসীন দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন মুজিবুর রহমান। তিনি ছাড়াও আওয়ামী লীগ থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন পৌরসভার চারবারের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আবছার, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক মেয়র প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম এবং বর্তমান পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরী।

তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মতে, কে নৌকার প্রার্থী হবেন সেটি ঠিক করবেন দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি যাকে মনোনয়ন দেবেন নৌকার জয়ের লক্ষ্যে সবাই তার হয়ে কাজ করবেন।

২০১১ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন সরওয়ার কামাল। কিন্তু আইনি জটিলতায় তিনিসহ পুরো পৌর পরিষদ টানা আড়াই বছর শপথ নিতে পারেননি। এরপর শপথ নিলেও বেশি দিন ধরে রাখতে পারেননি ক্ষমতা। কয়েকটি নাশকতা মামলায় হাইকোর্ট থেকে দায়িত্বপালনে অযোগ্য ঘোষণার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সরওয়ার কামালকে মেয়রের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেন। এরপর নানা টালবাহনা শেষে প্যানেল মেয়র না হয়েও ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পান কমিশনার মাহবুবুর রহমান মাবু। বর্তমানে তিনিই মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সব প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যে হালনাগাদকৃত ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র ও বুথ নির্ধারণসহ সবকিছু প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে। স্বল্প সময়ের মধ্যে ভোটগ্রহণের জন্য প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং এবং পুলিং এজেন্ট নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে।

সায়ীদ আলমগীর/এএম/আরআইপি

আরও পড়ুন