ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী না তোলায় খুশি যাত্রীরা

জেলা প্রতিনিধি | ফরিদপুর | প্রকাশিত: ০৯:২৯ পিএম, ১৩ জুন ২০১৮

দুদিন বাদেই খুশির ঈদ। তাই নাড়ির টানে ঘরে ফেরা মানুষের ঢল নেমেছে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীর গোপালপুর ঘাটে। জীবিকার তাগিদে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা কর্মজীবীরা বাড়ি ফিরছেন উপজেলার গোপালপুর ঘাট দিয়ে। এ ঘাট দিয়ে ঢাকা থেকে বৃহত্তর ফরিদপুরসহ মাগুরা, যশোর, ঝিনাইদহের হাজারো মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করেছে।

ঢাকা থেকে বাসযোগে দেড় ঘণ্টা সময়ের মধ্যে উপজেলার পদ্মা নদীর অপর পারে চর মৈনট ঘাটে নামার পর যাত্রীরা স্পিডবোটে মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছাতে পারছেন উপজেলা সদরে। তাই প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঘরমুখো যাত্রীরা বেছে নিয়েছেন পদ্মা নদীর মৈনট থেকে গোপালপুর নৌ রুট।

আগামী শনিবার ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় শবে কদরের ছুটির দিন বুধবার থেকেই পেশাজীবীরা বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। ফলে বুধবার দুপুরের পর থেকে উপজেলার পদ্মা নদীর গোপালপুর ঘাটে ঘরে ফেরা মানুষের ঢল নামে।

faridpur-pic

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ঢাকার গুলিস্থান থেকে বাস যাত্রীরা দোহার উপজেলার কার্তিকপুর বাজার হয়ে সরাসরি চর মৈনট ঘাটে নেমে স্পিডবোট ও ট্রলারে পদ্মা পার হয়ে গোপালপুর ঘাটে নামছেন। স্পিডবোটগুলো যাত্রী বোঝাই হওয়া মাত্রই ছেড়ে দেয়া হচ্ছে এবং উপজেলার গোপালপুর ঘাটে যাত্রী নামিয়ে খালি বোটগুলো মুহূর্তের মধ্যে যাত্রী আনতে ফিরে যাচ্ছে মৈনট ঘাটে।

ঢাকা থেকে আসা যাত্রী শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ঢাকা থেকে বাসে করে চর মৈনট ঘাটে এসেছি। সেখান থেকে নির্ধারিত ১০ জন যাত্রী নিয়ে গোপালপুর ঘাটের উদ্দেশ্যে বোট ছেড়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, ভাড়া যাই নিক, জীবনের দাম অনেক। এ বছর অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে বোট চলাচল করছে না। এতেই আমরা খুশি।

ঢাকা থেকে আসা অপর এক যাত্রী সালমা আক্তার বলেন, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করছে না স্পিডবোটগুলো। তবে ঈদ উপলক্ষে যে ভাড়া নেয়া হচ্ছে তা অতিরিক্তি। ভাড়াটা একটু কম হলে ভালো হতো।

faridpur-pic

গোপালপুর টু মৈনট ঘাটের ইজারাদার মোবারক হোসেন বলেন, ঈদে যাত্রী বহনের জন্য পদ্মার দুই পারে দুটি ঘাটে মোট ৩০টি স্পিডবোট ও ২০টি ট্রলার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রতিটি ছোট স্পিডবোটে ১০ জন এবং বড় স্পিডবোটে ২০ জন করে যাত্রী বহন করা হচ্ছে। প্রতিটি বোটে যাত্রী নিরাপত্তার জন্য লাইফ জ্যাকেট রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, উপজেলার গোপালপুর ঘাট থেকে যাত্রী শূন্য স্পিডবোটগুলো মুহূর্তের মধ্যে পদ্মা নদী পারি দিয়ে চর মৈনট ঘাটের যাত্রী নিয়ে ফিরে আসছে বলে নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে মাত্র ৪০ টাকা যোগ করে জন প্রতি ২০০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।

চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুন নাহার জানান, ঈদে ঘরমুখী মানুষের হয়রানি ও দুর্ভোগ লাঘবের জন্য গত কয়েকদিন আগে সভা করে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বিধি-বিধানগুলো রেজুলেশন করে সংশ্লিষ্টদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। আর সেভাবেই গোপালপুর টু মৈনট ঘাটে ঈদের যাত্রী পারাপার হচ্ছে।

আরএআর/জেআইএম

আরও পড়ুন