ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

চকরিয়ায় অপহৃত ঘের শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার

জেলা প্রতিনিধি | কক্সবাজার | প্রকাশিত: ০৫:০৪ পিএম, ১৫ জুলাই ২০১৮

কক্সবাজারের চকরিয়ায় খুটাখালীর উপকূলীয় চিংড়ি ঘেরে ডাকাতির পর অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার সকালে খুটাখালী চিংড়ি জোনখ্যাত বহলতলী বড় মসজিদ ঘোনার বাইরে বাঁধের কিনারে মরদেহটি পাওয়া যায়। তার চোখে ও অন্ডকোষে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন নিহতের শ্বশুর আশরাফ আলী। শনিবার ভোরে এ ডাকাতি ও অপহরণের ঘটনাটি ঘটে।

নিহত ছৈয়দুল করিম (৩৫) খুটাখালীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেধাকচ্ছপিয়া এলাকার ফজল করিমের ছেলে। দাম্পত্য জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।

নিহতের শ্বশুর আশরাফ আলী বলেন, শুক্রবার দিবাগত ও শনিবার ভোরে সংঘবদ্ধ সশস্ত্র ডাকাতদল হামলা চালিয়ে ঘের শ্রমিকদের জিম্মি করে মাছ, জাল লুট করে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। লুট শেষে যাওয়ার সময় এলোপাতাড়ি গুলি করে ঘের শ্রমিক ছৈয়দুল করিমকে অপহরণ করে নিয়ে যায় তারা। রোববার সকাল ৯টার দিকে খবর পাই বহলতলী বড় মসজিদ ঘোনার বাইরে বাঁধের কিনারে ছৈয়দুল করিমের মরদেহটি পড়ে আছে। পরে পুলিশসহ এলাকায় গিয়ে দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে নির্যাতন করে হত্যার পর মরদেহটি হয়তো সেখানে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা।

সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ঘের শ্রমিকরা জানান, ডাকাতরা প্রথমে ফাঁকা গুলি করতে করতে তাদের বাসায় পৌঁছলে প্রাণভয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ডাকাতরা তাদেরকে লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালায়। যে যার মতো পালিয়ে বাচঁলেও তারা গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।

খুটাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুর রহমান বলেন, ডাকাতি ও অপহরণের ঘটনাটি লোকেমুখে শুনে পুলিশকে অবহিত করেছিলাম। সেই অপহৃত ঘের শ্রমিক ছৈয়দুল করিমের মরদেহটি রোববার সকালে ঘেরের বাইরে পাওয়ার পর আবারও পুলিশকে জানানো হয়।

চকরিয়া থানা পুলিশের ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, ডাকাতি ও অপহরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। মরদেহের খবর পেয়ে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মরদেহে তেমন আঘাতের চিহ্ন নেই। শুধু চোখ ও অন্ডকোষ ফোলা রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সায়ীদ আলমগীর/এএম/জেআইএম

আরও পড়ুন