নিখোঁজের একদিন পর শ্মশানঘাটে কিশোরের মরদেহ
গাজীপুরের কালীগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর পিয়াস নন্দী (১৬) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত কিশোর উপজেলার চক জামালপুর এলাকার বারৈপাড়া গ্রামের মৃত মৃদুল নন্দীর ছেলে। এছাড়া স্থানীয় একটি কারখানায় শ্রমিকের কাজ করত।
এ ঘটনায় সোমবার নিহতের বড় ভাই পাভেল নন্দী বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ এজাহার নামীয় ২ জনকে আটক করেন। এর আগে রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের বারৈপাড়া শ্মশান ঘাট সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীর তীর থেকে ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের বড় ভাই পাভেল নদী জানান, শনিবার রাত ৮টার দিকে পিয়াস একই গ্রামের বিজয় দাসের ছেলে অপু দাসের সঙ্গে বের হয়। পরে রাত ৯টার পর পিয়াসের ব্যবহৃত মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়। রাতে তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পরদিন সকালে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুলতান উদ্দিন জানান, রোববার সন্ধ্যায় বারৈপাড়া শ্মশানঘাট সংলগ্ন নদীর তীরে স্থানীয়রা ওই কিশোরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয় । পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। তবে তার গলার নিচে আঘাত ও ডান কানে রক্তের দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুবকর মিয়া জানান, মামলা হয়েছে। আর মামলার প্রেক্ষিতে উপজেলার বারৈপাড়া গ্রামের বিজয় দাসের ছেলে অপু দাস ও খলাপাড়া গ্রামের আব্দুল বাতেনের ছেলে ফারুক ওরফে বাক্কাকে আটক করেছে পুলিশ। বাকী আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আব্দুর রহমান আরমান/আরএ/জেআইএম