কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়ায় ১৫ দিন ধরে পণ্যবাহী ট্রাক আটকা
নাব্যতা সংকটের কারণে কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্ধ রয়েছে রো-রো ও ডাম্প ফেরি চলাচল। শুধুমাত্র কে-টাইপ ও মিডিয়াম ছয়টি ফেরি চলছে। নাব্যতা সংকট কাটিয়ে উঠে ঈদের আগে যেখানে ১৭টি ফেরি চলছিল সেখানে ঈদের পরে চলছে মাত্র ছয়টি।
এ কারণে ঈদে কর্মস্থলে ফিরতি কাঁঠালবাড়ি ঘাটে চরম বিড়ম্বনার শিকার হয়ে পড়েছে মানুষজন। কাঁঠালবাড়ি ফেরি ঘাটে আটকে পড়েছে প্রায় সহস্রাধিক যানবাহন। এর মধ্যে প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাসের সংখ্যায় বেশি। পণ্যবাহী অনেক ট্রাক রয়েছে সেগুলো প্রায় ১৫ দিন ধরে আটকে আছে পারাপারের অপেক্ষায়।
বিআইডব্লিউটিএ’র কাঁঠালবাড়ী ঘাট সূত্র জানায়, ঈদের দুই সপ্তাহ আগে নাব্যতা সংকট চরম আকার ধারণ করে। প্রথম দিকে সকল ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। পরে শুধুমাত্র ছোট ফেরি চলাচল শুরু করে। নাব্যতা সংকট ফিরিয়ে আনতে খনন কাজ চালিয়ে ঈদের তিন/চারদিন আগে সকল ফেরি চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হয়। ঈদের পর ফের লৌহজং টার্নিং পয়েন্টের চ্যানেল মুখে দেখা দিয়েছে নাব্যতা সংকট।
বরিশাল থেকে আসা রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স যাত্রী ফাহিম জানান, বরিশাল মেডিকেল থেকে রোগী নিয়ে সকালে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে এসে পৌঁছেছি। ঘাটে এসে দেখি ফেরি চলে না। যাও কিছুক্ষণ পারপর দুই একটি চলে তাতে পাল্লা করে অন্যরা উঠে পড়ে। রোগীর অবস্থাও খারাপ কোনোভাবেই পদ্মা পাড়ি হতে পারছি না।
বিআইডব্লিউটিএ’র শিমুলিয়া ঘাটের মেরিন কর্মকর্তা আহম্মদ আলী বলেন, কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটের ফেরি চলাচলের অবস্থা ভালো নয়। রোরো ও ডাম্প ফেরি বন্ধ রয়েছে। নাব্যতা সংকট আবারও দেখা দিয়েছে।
এ কে এম নাসিরুল হক/এমএএস/আরআইপি