ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কুষ্টিয়ায় সংঘর্ষ, বিএনপির ৯ নেতা আটক

জেলা প্রতিনিধি | কুষ্টিয়া | প্রকাশিত: ০৫:০৩ পিএম, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ-বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ নয়জন নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়। এর আগে সন্ধ্যায় উপজেলার দুই গ্রামে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগসহ এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আটকরা হলেন- উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহীদ সরকার মঙ্গল, যুগ্ম সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুর রহমান হাসিব, যুবদল নেতা তরিকুল ইসলাম রকি, দেলোয়ার হোসেন, আব্দুল মজিদ, মনিরুল ইসলাম ও ছাত্রদল নেতা হিমেল।

আটক বিএনপি নেতাদের কুষ্টিয়া ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ২টা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকালে বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী আহসানুল হক মোল্লার মৃত্যুবার্ষিকী ও কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপজেলা বিএনপির কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত হন।

বুধবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ কর্মী রুয়েন ও সুরুজের নেতৃত্বে কয়েকজন মশাউড়া বাজারের গোলচত্বর এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতা ইয়ার মেম্বার ও তার লোকজনকে হুমকি দিলে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

এ সময় আওয়ামী লীগ কর্মীদের একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনার জের ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ইয়ার মেম্বারকে মারধরের পর তার বাড়ি ও দোকান ভাঙচুর করে। তার ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে বিএনপি কর্মীদের কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়।

খবর পেয়ে ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। এ ঘটনায় ইয়ার মেম্বারসহ ৩-৪ জন আহত হন। দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

একই ঘটনার জের ধরে রাত ৯টার দিকে উপজেলার দাড়েরপাড়া গ্রামের বিএনপি কর্মী আক্কাস, মহসীন, গোলাপ, জায়েন ও ইদ্রিসের কয়েকটি ঘর ও একটি চায়ের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয় প্রতিপক্ষের লোকজন।

বিএনপি নেতাকর্মীদের আটক ও মারধরের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ধানের শীষের প্রার্থী রেজা আহমেদ বাচ্চু বলেন, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও পুলিশ পরিকল্পিতভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য এমন ঘটনা ঘটাচ্ছে। অবিলম্বে আটককৃতদের মুক্তি দিয়ে নির্বাচনে সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে পুলিশকে।

দৌলতপুর থানা পুলিশের ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, দুর্বৃত্তরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে। ওই গ্রামে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কাজ করছে পুলিশ। তবে বিএনপি নেতাদের কেন আটক করা হলো এ বিষয়ে কোনো কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

আল-মামুন সাগর/এএম/পিআর

আরও পড়ুন