নোয়াখালীতে সেই নারীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী এলাকার সেই নারীকে (৪০) ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. খলিল উল্যাহ। রিপোর্টটি বিকেলে নোয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। স্বামী-সন্তানকে বেঁধে রেখে ওই নারীকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
ডা. খলিল উল্যাহ জাগো নিউজকে বলেন, নির্যাতনের শিকার ওই নারী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার শরীরের বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়। সকল প্রকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার ডা. আফেফা জাহান তার নিকট রিপোর্টটি দাখিল করেছেন। এতে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে নির্যাতনের শিকার ওই নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আগের চেয়ে তার শারীরিক অবস্থা ভালো।
নির্যাতনের শিকার ওই নারীর অভিযোগ, তিনি গত রোববার সকালে এলাকার একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যান। এ সময় কেন্দ্রে থাকা আওয়ামী লীগের কয়েকজন যুবক তাকে তাদের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে বলেন। তিনি তাতে রাজি না হলে যুবকেরা তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন। ওই দিন রাত ১২টার দিকে ছালাউদ্দিন, সোহেল, বেচু, মোশারফসহ ১০ থেকে ১২ জনের একদল যুবক ঘরে ঢুকে প্রথমে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে মারধর করেন। পরে স্বামী ও সন্তানকে বেঁধে রেখে ওই নারীকে ঘরের বাইরে পুকুরপাড়ে এনে গণধর্ষণ করেন।
তার দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সবাই একই এলাকার চরজুবলী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য রুহুল আমিনের লোক।
এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে চরজাব্বার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ এহাজারভুক্ত তিন জনসহ ঘটনার মূল নির্দেশদাতা রুহুল আমিনকে গ্রেফতারর করেছে।
মিাজনুর রহমান/আরএআর/এমকেএইচ