‘আমাগোরে লাশটা আইন্যা দেন’
কাঁদছেন নিহত বাহাদুরের স্ত্রী-কন্যা
সৌদি আরবের সাগরা এলাকায় বুধবার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ বাংলাদেশির মধ্যে দুইজনের বাড়ি টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে। তাদের বাড়ি কালিহাতী উপজেলার ঝগড়মান এবং কস্তুরিপাড়া গ্রামে। নিহতদের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম আর আহাজারি। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা পরিবারগুলো।
নিহতরা হলেন- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ঝগড়মান গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে বাহাদুর (৩৫) এবং কস্তুরিপাড়ার শামছুল হকের ছেলে মনির হোসেন (২০)।
নিহত বাহাদুর ছিলেন অসহায়-দুস্থ প্রতিবন্ধী পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। প্রতিবন্ধী স্ত্রী, একমাত্র প্রতিবন্ধী কণ্যা সন্তান, মা, অসুস্থ বাবা ও এক বাক-প্রতিবন্ধী বোন নিয়ে ছিল বাহাদুরের সংসার।

আহাজারি করছেন নিহত মনিরের মা
বাহাদুরের প্রতিবন্ধী স্ত্রী রাশেদা বলেন, আমাগোরে লাশটা আইন্যা দেন, আমগোরে সংসার এহন কেমনে চলবো, ঋণ কিবায় সুদাবো।
নিহত মনির হোসেনের মা মমতাজ বলেন, আমার পোলার লাশটা আইন্ন্যা দেন।
এক মাস আগে মনিরের বাবা ইরাক প্রবাসী শামছুল হকের বাম হাতের চারটি আঙুল কাজ করার সময় মেশিনে কাটা পড়ে। বর্তমানে তিনি ইরাকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের আত্মীয়-স্বজন এবং পরিবারের সদস্যদের করুণ আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে।
আরিফ উর রহমান টগর/আরএআর/এমএস