ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

সখীপুরে মুক্তিযোদ্ধার ওপর হামলার বিচার দাবি

জাগো নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৩:১৫ পিএম, ০৯ মে ২০২০

টাঙ্গাইলের সখীপুরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা গাজী আবদুল কাদের মিয়ার ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড। শনিবার দুপুরে সখীপুর পৌরসভা কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সখীপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার, পৌরমেয়র আবু হানিফ আজাদ। এ সময় তিনি তার লিখিত বক্তব্যে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার ওপর বর্বরোচিত হামলার মূল আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। ভবিষ্যতে এ রকম ঘটনা যেন না ঘটে সে জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সখীপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার এম এ গণি, শ.ম. আমজাদ হোসেন, হাতিবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন, এমএ মোত্তালিব, আহত মুক্তিযোদ্ধার ছেলে কামরুল হাসান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি হারুন আজাদ, সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, গত ৩ মে বিকেলে প্রতিবেশী আবদুর রাজ্জাক তার লোকজন নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদেরের স্ত্রী রহিমা পারভীনকে মারধর করে। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই হামলাকারী আবদুর রাজ্জাকসহ সাতজনকে আসামি করে সখীপুর থানায় মামলা করেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী আবদুল কাদের। মামলা করায় ক্ষুব্ধ হয়ে আবদুর রাজ্জাক ও তার দলবল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গত ৫ মে বিকেলে মামলার বাদী গাজী আবদুল কাদেরের ওপর হামলা করে। এতে তার দুই হাত ও পাঁজরের হাড় ভেঙে যায়। এ সময় বাড়ির আসবাবপত্রও ভাঙচুর করা হয়।

পরে আহত মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদেরকে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার নিউ লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতেই আহত আবদুল কাদেরের ছেলে কামরুল হাসান বাদী হয়ে আবদুর রাজ্জাকসহ ১০ জনকে আসামি করে সখীপুর থানায় মামলা করেন। পরে গত ৬ মে সকালে পুলিশ আবদুর রাজ্জাক ও তার স্ত্রী মোমনা বেগমসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানোর পরই জামিন পান তারা। জামিনে এসেই মামলার বাদীকে প্রতিপক্ষরা হুমকি দিচ্ছেন বলে জানান।

মামলার বাদী আহত মুক্তিযোদ্ধার ছেলে কামরুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, প্রতিপক্ষরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন। বর্তমানে তিনি তাদের পরিবার নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ হামলার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।

এইচআর/বিএ/জেআইএম