‘নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্থায়ী প্রকল্প গ্রহণ করা হবে’
পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, সারাদেশে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত যে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী প্রকল্প হাতে নেয়া হবে। উঁচু ও প্রশস্ত করে প্রতিটি বাঁধ নির্মাণের পর রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। নদীগুলো ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সারাদেশেই স্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে মানুষ নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের যমুনা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা বেলটিয়া গ্রাম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এ সব কথা বলেন।

পরে উপমন্ত্রী নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৭টি পরিবারে নগদ ১০ হাজার করে টাকা ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের ছাড় দেয়া হবে না। জেলা প্রশাসকদের সেভাবেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসনের নেতৃত্ব একটি কমিটি রয়েছে।

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী বলেন, বেলটিয়া গ্রামে নদী ভাঙনে ঘরবাড়ি হারা মানুষকে সরকারি উদ্যোগে পুনর্বাসন করা হবে। নদীর পানি শুকিয়ে গেলে সরকারি উদ্যোগে ড্রেজিংয়ের বালু দিয়ে ভরাট করে যার যেখানে ঘরবাড়ি ছিল সেখানেই তাদের ঘরবাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হবে।
এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য হাছান ইমান খান সোহেল হাজারী, জেলা প্রশাসক আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলামসহ জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আরিফ উর রহমান টগর/আরএআর/এমকেএইচ