ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

আমাদের লক্ষ্য অর্থনৈতিক কূটনীতির সুফল অর্জন করা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি | নাটোর | প্রকাশিত: ০৭:৪৬ পিএম, ১৪ নভেম্বর ২০২০

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এমপি বলেছেন, ‘আমাদের লক্ষ্য বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করে অর্থনৈতিক কূটনীতির সুফল অর্জন করা।

বিগত ১১ বছর ধরে আমাদের দেশ গড়ে সাত শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ প্রবৃদ্ধির দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। অর্থনৈতিক কূটনীতির সফলতার কারণেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।’

শনিবার (১৪ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে নাটোরের উত্তরা গণভবন ও রাণী ভবানী রাজবাড়ি পরিদর্শন শেষে সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর অনুসৃত ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব’ এই পররাষ্ট্রনীতিতে পথ চলছে বাংলাদেশ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সকলের সঙ্গে বৈরিতা পরিহার করে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। আমাদের লক্ষ্য বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করে অর্থনৈতিক কূটনীতির সুফল অর্জন করা। করোনাকালে স্থবির সময়েও যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশে করোনা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় মেডিকেল সরঞ্জামাদি রফতানির সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৮০ লাখ পিপিই পাঠানো হয়েছে। অর্থনৈতিক কূটনীতির সুফল পেতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঁচটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।’

এর মধ্যে রয়েছে, দেশের মানব সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং দক্ষ জনগোষ্ঠির জন্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। দেশের অপার সম্ভাবনাময় মানব সম্পদ ও প্রাকৃতিক সম্পদের সহজলভ্যতা বিশ্বের কাছে তুলে ধরে বিদেশী বিনিয়োগের ক্ষেত্র বৃদ্ধি করা, দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অসামান্য অবদানকে সম্মান দিতে বিদেশে আমাদের মিশনগুলোতে পাসপোর্ট ডেলিভারিসহ প্রযুক্তিনির্ভর সেবার পরিধি বাড়ানো ও সহজ করা হচ্ছে। মুজিববর্ষ-২০২০ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী-২০২১ কে কেন্দ্র করে বিশ্বের কাছে অপার সম্ভাবনাময় বাংলাদেশকে তুলে ধরা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও গতিশীল নেতৃত্বের কারণে দেশ দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের সর্বাধিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি দারিদ্র বিমোচনেও আমরা অগ্রগামী। ইতিমধ্যে গত ১১ বছরে দেশের দারিদ্রসীমা অর্ধেক হ্রাস পেয়ে ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। আগামী পাঁচ বছরে আরও ৫ শতাংশ হ্রাস পাবে। পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের পথপরিক্রমায় ২০৪১ সালে দারিদ্রমুক্ত বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় পরিণত হবে।’

নাটোরের জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ মতবিনিময় সভা প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম ও নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বক্তব্য রাখেন।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, অতিরিক্ত সচিব মো. শামসুল হক, মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এফ এম বোরহান উদ্দিনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

রেজাউল করিম রেজা/এআরএ/জেআইএম