বসুরহাটে আ.লীগের সহিংসতা : ৯৮ জনের নামে পুলিশের মামলা
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলায় দেড়শ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের কাজে বাধা, পুলিশকে আহত করা, রাস্তায় ব্যারিকেড দেয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির বাদী হয়ে বুধবার (১০ মার্চ) কোম্পানীগঞ্জ থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি।
তিনি আরও বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত সিএনজিচালক আলাউদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো (দুপুর ২টা) পর্যন্ত কেউ মামলা দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এর আগে মঙ্গলবার (৯ মার্চ) বিকেলে বসুরহাটে আবদুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

এতে পুরো বসুরহাট বাজার এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে ১১ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হন প্রায় ৫০ জন। এদের মধ্যে আলাউদ্দিন (৩২) নামে একজন মারা যান। তিনি চরফকিরা ইউনিয়নের চরকালী গ্রামের মমিনুল হকের ছেলে।
আহতদেরকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ২৫০ শর্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরমধ্যে গুলিবিদ্ধ ও আহতদের মধ্যে গুরুতর সাতজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় পৃথক পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
এদিকে এ ঘটনায় বসুরহাট পৌরসভা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। বুধবার ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এই ১৪৪ ধারা কার্যকর থাকবে বলে জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল হক মীর।
এসআর/এমএস