মধ্যরাতে জুয়ার আসর গুঁড়িয়ে দিল পুলিশ
বগুড়ার শেরপুরে মধ্যরাতে হানা দিয়ে জুয়ার আসর গুঁড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। একই সঙ্গে জুয়া খেলার সরঞ্জামসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (৫ জুন) আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়।
গ্রেফতাররা হলেন-উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের বনমরিচা গ্রামের ইমান আলীর ছেলে আলম সেখ (৩০), একই গ্রামের লোকমান আলীর ছেলে আসমত আলী (৩১), আব্দুল আজিজের ছেলে রেজাউল করিম (২৫), শামছুল হকের ছেলে লাভলু মিয়া (৪৫), আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে জুয়েল রানা (২৭), শাহ আলী প্রামাণিকের ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩২) ও ইব্রাহীম খানের ছেলে গোলাম মোস্তফা (৩৮)।
এজাহার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের বনমরিচা গ্রামের আলম সেখের বসতবাড়িতে কিছুদিন ধরে জুয়ার আসর বসছিল। নিয়মিত চলা এই জুয়ার আসরে উপজেলা ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে লোকজন এসে অংশ নিতেন। জুয়াড়িদের নিরাপত্তাসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার কথা বলে বাড়ির মালিক আলম সেখ প্রতিদিন পাঁচ থেকে দশ হাজার করে টাকা নিতেন। এসব টাকায় সব মহলকে ম্যানেজ করা হয় বলে প্রচার করতেন তিনি। তাই জুয়াড়ি আলম সেখ ও তার লোকজনের ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পাচ্ছিলেন না। ফলে এই আসরে জুয়াড়িদের উপস্থিতি দিন দিন বাড়তে থাকে। এ কারণে বনমরিচা গ্রামে সামাজিক অবক্ষয় ও শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী পুলিশের দ্বারস্থ হয়। পরে পুলিশ ওই জুয়াড় আসরে হানা দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলম সেখের বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেই সঙ্গে আইন শুঙ্খলাবাহিনীর চোঁখ ফাকি দিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে চলা ওই জুয়ার আসর গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এসময় জুয়া খেলার সরঞ্জামসহ সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়।
এসআর/জিকেএস