কারখানায় জিন আতঙ্ক, ২২ শ্রমিক অসুস্থ
সাভারের আশুলিয়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় জিন আতঙ্কে প্রায় ২২ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের স্থানীয় হাবিব ক্লিনিক ও নারী শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জুলাই) দুপুরে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকার ডংলিয়ান ফ্যাশন বিডি লিমিটেড কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
অসুস্থ শ্রমিকদের দাবি, কারখানার শৌচাগার থেকে ফিরে এসেই সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় অন্য শ্রমিকরা ভয়ে কারখানা থেকে বাসায় চলে গেছেন।
অসুস্থ শ্রমিকরা জানান, দুপুরের দিকে এক শ্রমিক প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে কারখানার ফ্লোরের একটি শৌচাগারে যান। সেখান থেকে ফিরে এসে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরবর্তীতে আরও দু-একজন ওই শৌচাগারে গেলে তারাও জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কে আরও ১২ থেকে ১৫ জনসহ মোট ২২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে নেয়া হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শ্রমিক জানান, গত রমজান মাস থেকে কারখানার ওই ফ্লোরে এই জিন আতঙ্ক বিরাজ করছে। এর আগেও দু-একজন এমন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু আজ অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সব শ্রমিক আতঙ্কে রয়েছে।
কারখানার এইচ আর এডমিন ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘তারা জিন আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রথম যিনি অসুস্থ হয়েছেন তার অবস্থা একটু খারাপ। তার চিকিৎসা চলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কারখানায় কিছুদিন আগে নতুন একটি ইউনিট খোলা হয়েছে। যেখানে দেড় শতাধিক শ্রমিক কাজ করছিলেন। সবাই জিন আতঙ্কে বাসায় চলে গেছেন। বর্তমানে ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিক কারখানায় আছেন।’
বাংলাদেশ বস্ত্র ও পোশাক শিল্প শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরওয়ার হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে ওই কারখানার সামনে আমার প্রতিনিধিকে পাঠিয়েছিলাম। তবে কোনো শ্রমিকই মুখ খুলতে রাজি নয়। তারা কীভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছে এ ধরনের কোনো যৌক্তিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তারা শুধু বলেছে ওয়াশরুম থেকে বের হয়েই সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ছে।’
আল-মামুন/এসজে/এমকেএইচ
সর্বশেষ - দেশজুড়ে
- ১ কর্মস্থল খাগড়াছড়িতে, চিকিৎসা সেবা দেন টাঙ্গাইলের ক্লিনিকে ক্লিনিকে
- ২ সংঘর্ষের জেরে দুই মাস ধরে দোকান বন্ধ শতাধিক ব্যবসায়ীর
- ৩ ১৫ মিটার দূরেই ব্রহ্মপুত্র, ভাঙন ঝুঁকিতে ১৫৭ কোটি টাকার লঞ্চ টার্মিনাল
- ৪ জ্বালানি সংকটে কুয়াকাটায় পর্যটক খরা
- ৫ দেশে ফিরেই মহাসড়কে ডাকাতির শিকার, অভিযোগ দিতে দুই থানায় ছুটছেন প্রবাসী