ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

কক্সবাজারে একদিনে টিকা পেলেন ৪৫ হাজার মানুষ

জেলা প্রতিনিধি | কক্সবাজার | প্রকাশিত: ০৮:৪৭ এএম, ০৮ আগস্ট ২০২১

সারাদেশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কক্সবাজারেও শুরু হয়েছে করোনা প্রতিরোধধে গণটিকা কার্যক্রম। প্রথমদিনে জেলায় টিকা পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৬০০ নারী-পুরুষ। কক্সবাজার পৌরসভার ১২ ওয়ার্ডের ১২টিসহ জেলার ৯ উপজেলার ৭২ ইউনিয়ন ও ৩টি পৌরসভার ২২৮টি বুথে একই সময়ে টিকা দেয়া হয়। প্রতি বুথে টিকা পেয়েছেন ২০০জন। প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করে তালিকাভুক্ত মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে টিকা নিতে যান। সাতদিন বিরতি দিয়ে এ কার্যক্রম ১৪ আগস্ট আবারও শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার (৭ আগস্ট) সকালে শহরের নুনিয়ারছড়া এয়ারপোর্ট পাবলিক হাইস্কুলে টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ। এসময় তিনি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান, সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান, কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম তারিকুল আলম ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আলী হাসান বক্তব্য রাখেন।

jagonews24

কক্সবাজার পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়ক শামিম আকতারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, ‘কক্সবাজারে প্রতিনিয়ত করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঝরে পড়ছে অনেক তাজা প্রাণ। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে পরিকল্পিতভাবে নানা সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে কক্সবাজার পৌরসভা। এ ধারা অব্যাহত থাকবে।’

১৪ আগস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে সবাই টিকা পাবে জানিয়ে করোনা থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, ঘরে থাকা এবং বিশেষ প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলেও মাস্ক ব্যবহার করতে সবাইকে অনুরোধ জানান মেয়র। এ ছাড়া হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান ও হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধোয়া, সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বানও জানান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমান।

jagonews24

সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘জেলায় ৮৪টি কমিউনিটি ক্লিনিকে একযোগে টিকা প্রদান করা হয়েছে। ৪টি পৌরসভাসহ জেলার ৯ উপজেলার ৭২ ইউনিয়নে ২২৮টি বুথে একই সময়ে ভ্যাকসিন দেয়া হয়। বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা পেয়েছেন। যারা আগে রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তারা যেখানে কেন্দ্র নির্ধারণ করেছেন, সেখানে টিকা নেবেন। ক্যাম্পেইনের টিকাদান আলাদাভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ইউনিয়ন ও পৌরসভার বাদপড়া ওয়ার্ডে ৮ ও ৯ আগস্ট টিকা কার্যক্রম চলবে।’

তিনি বলেন, ‘টিকা গ্রহণের সর্বনিম্ন বয়সসীমা ২৫ বছর। ১৮ বছর বয়সীদের অনেকের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, এতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে। এ কারণে টিকার সর্বনিম্ন বয়সসীমা ১৮ না করে ২৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকলকে টিকার আওতায় আনা হবে।’

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ৫৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য করোনার ১০ ও ১২ আগস্ট টিকা কার্যক্রম চলবে বলে জানান সিভিল সার্জন।

টিকা কার্যক্রম উদ্বোধনে কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র-৩ শাহেনা আক্তার পাখি, কাউন্সিলর মিজানুর রহমানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। টিকাদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

সায়ীদ আলমগীর/ইএ/জিকেএস