ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বসুরহাট পৌরসভায় আটকে রেখে জাপা সম্পাদককে নির্যাতনের অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি | নোয়াখালী | প্রকাশিত: ১১:২৩ পিএম, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভায় আটক রেখে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির (জাপা) সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম স্বপনকে (৫৯) নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে তাকে আহতাবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় বসুরহাট বাজার থেকে তাকে ধরে নিয়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে নির্যাতন চালায় বলে তার পারিবার দাবি করেছে।

সাইফুল ইসলাম স্বপন বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। পরে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওবায়দুল কাদেরকে সমর্থন করেন।

সাইফুল ইসলাম স্বপনের স্ত্রী চরফকিরা ইউপির সংরক্ষিত নারী সদস্য নাজমা ইসলাম বলেন, ‘কাদের মির্জা নির্দেশেই তার অনুসারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এতে সন্ত্রাসীরা তার স্বামীর পুরো শরীর থেঁতলে হাত-পা ভেঙে দিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ছয়মাস তার স্বামী কাদের মির্জার ভয়ে বসুরহাট যাননি। বুধবার বিকেলে একটি কাজে তিনি বসুরহাট বাজারে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হন।’ এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি।

এদিকে সন্ত্রাসীরা জাতীয় পার্টির নেতা স্বপনের সঙ্গে থাকা নগদ টাকা, মোবাইলফোন ও মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তার ছেলে শাকিল।

আহত সাইফুল ইসলাম স্বপনের বাবা জিয়াউল হকও উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ছিলেন। তিনি বলেন, বুধবার রাতে জাতীয় পার্টির নেতা সবুজকে দিয়ে তাকে পৌরসভায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রেখে ও ভিডিও স্বীকারোক্তি নিয়ে তার ছেলেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরে অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় প্রথমে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল ও পরে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবদুল লতিফ মেম্বার জানান, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বিষয়টি তারা দেখবেন বলেছেন। এর বেশি কিছু তিনি বলতে রাজি হননি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, বিষয়টি শুনেছি, তবে কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তা ব্যস্ত পাওয়া যায়। এনিয়ে তার অনুসারীদের কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি।

ইকবাল হোসেন মজনু/এএইচ/এএএইচ