ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

বিদ্যালয় খুললেও হাসি নেই ঝালমুড়ি-বাদাম বিক্রেতার মুখে

জেলা প্রতিনিধি | দিনাজপুর | প্রকাশিত: ০২:৪০ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১

দিনাজপুরে দেড় বছর পর প্রাণ ফিরেছে স্কুল-কলেজগুলোতে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ফিরেছেন স্কুলে। আর এ খবরে স্কুলের সামনে ফিরেছেন ঝালমুড়ি, বাদাম ও ফুচকা বিক্রেতারাও।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্কুলের সামনে সব মিলিয়ে এক অন্যরকম পরিবেশ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুলে এসেছে শিক্ষার্থীরা। সবার মুখে মাস্ক আর সঙ্গে স্যানিটাইজার। এতো আয়োজনের মধ্যে কিছুটা বিষন্ন স্কুলের সামনে আসা ঝালমুড়ি, বাদাম ও ফুচকা বিক্রেতারা। স্কুল খুললেও বিক্রি তেমন নেই। করোনার এতদিন পর স্কুল খোলায় অনেকেই এই বাইরের খাবারগুলো খাচ্ছে না।

Dinajpur

কসবা এলাকায় সেন্টফিলিপস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে ১৫ বছর ধরে ঝাল মুড়ি বিক্রি করেন জাবেদ আলী (৫৫)। তিনি জানান, করোনার পুরো সময়ে কারও কাছ থেকে তেমন কোনো সহযোগিতা পাননি। অনেক কষ্টে ১৮ মাস পার করেছেন। স্কুল খোলার খবরে ঝাল-মুড়ির দোকান নিয়ে এসেছেন। কিন্তু বিক্রি তেমন নেই।

তিনি বলেন, ‘করোনার পর শিক্ষার্থীরা প্রথম দিন স্কুল কলেজে এসেছে তাই তাদের মধ্যে একটা আতঙ্ক রয়েছে। অনেকে ঝালমুড়ি খাচ্ছে, আবার অনেকে ভয়ে বাইরের খাবার খাচ্ছেনা। ধীরে ধীরে সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তখন হয়তো বিক্রি বাড়বে। আজ ১৪০ টাকা বিক্রি করেছি।’

Dinajpur

আরেক বিক্রেতা সুজন রহমান বলেন, ‘বিক্রি আগের তুলনায় কম। তবে আগামী দিনগুলোতে বিক্রি বাড়বে। প্রথম দিন তাই একটু সাবধানে চলছে সবাই।’

বাদাম বিক্রেতা রাজা জানান, সকাল ৮টায় এসে দুপুর পর্যন্ত ১৫০ টাকার বাদাম বিক্রি করেছেন। আরও কিছু সময় থাকবেন। বিকেল ৩টার দিকে স্কুল ছুটি হলে আরও কিছু বিক্রি হবে। বেচা বিক্রি কম হওয়ায় মনটা একটু খারাপ বলে জানান তিনি।

১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারিয়া ইসলাম ও কামরুল হাসান জানান, প্রথম দিন তারা বাদাম কিনে খেয়েছে। কিন্তু ঝালমুড়ি ও সাত মিশাালি খাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও করোনার কারণে সাহস পাননি।

এমদাদুল হক মিলন/এফআরএম/এমএস