ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

দুই বছর পর দেখা মিললো ‘রাতের রানির’

জেলা প্রতিনিধি | মুন্সিগঞ্জ | প্রকাশিত: ০৩:৪১ পিএম, ১৭ নভেম্বর ২০২১

গাছের চারা রোপণের পর দিন যায়, মাস যায়। এমনকি বছর পার হয়ে যায়। তারপরও দেখা মেলে না ফুলের। অবশেষে অপেক্ষার দুই বছরের মাথায় দেখা মিললো রাতের রানির। মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরায় জৈনক বাশার হালদারের বাড়িতে ফুটেছে দুর্লভ নাইট কুইন বা নিশিপদ্ম ফুল।

সোমবার (১৫) রাতে ফুল ফোটার পর আশপাশের লোকজন ফুলটি দেখতে ছুটে আসেন।

ক্যাকটাস জাতীয় উদ্ভিদ নাইট কুইনের আদি নিবাস যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চল ও মেক্সিকো। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের বাসাবাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে দেখা মেলে এ গাছের। গাছ থাকলেও ফুলের দেখা মেলা খুব কষ্টসাধ্য। অনেকটা দুর্লভ এ ফুলকে বলা হয় সৌভাগের প্রতীক।

তথ্যমতে, নাইট কুইনের বৈজ্ঞানিক নাম এপিফাইলাম অক্সিপেটালাম (Epiphyllum oxypetalum)। ফুলটি ‘বেথেলহাম ফ্লাওয়ার’ নামেও পরিচিত।সাধারণত চারাগাছ থেকে ফুল ফুটতে সময় নেয় পাঁচ থেকে সাত বছর।

দুই বছর পর দেখা মিললো ‘রাতের রানির’

এর চারা তৈরি হয় পাথরকুচি গাছের মতো পাতা থেকে। পাতা নরম মাটিতে রেখে দিলে তা থেকে ধীরে ধীরে চারা গাছ গজায় এবং এ চারাগাছ বড় গাছে পরিণত হয়। গাছের পাতার রং সবুজ ও বেশ পুরু।

গাছ উচ্চতায় গড়ে চার থেকে পাঁচ ফুট পর্যন্ত হয়। আবার পাতা থেকেই প্রস্ফূটিত হয় ফুল। ফুল ফোটার আগে গাছে প্রথমে গুটি গুটি কলি ধরে এবং তা ধীরে ধীরে বড় হয়ে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে ফুল ফোটার উপযোগী হয়।

দুই বছর পর দেখা মিললো ‘রাতের রানির’

নাইট কুইন রাতে ফোটে। আবার ভোরের আলো দৃশ্যমান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝরে যায়। গাছের লম্বা বোঁটায় নমনীয় কোমল অনেকগুলো সাদা রঙের পাপড়ির গোলাকার মেলবন্ধনে নাইট কুইন ফুলের আকার লাভ করে। পরাগ থাকে মাঝে। পরাগ ফুলের রং প্রধানত সাদা। সাদা রঙের ফুলের মাঝে ঘিয়ে রঙের মিশ্রণ ও সুমিষ্ট গন্ধ নয়নাভিরাম আর আভিজাত্যের আবেশ তৈরি করে।

গাছের মালিক বাশার হালদারের বাড়ির মালিহা রহমান বলেন, এই ফুল বাড়িতে ফোটানো অনেকটা সৌভাগ্যের বিষয়। দুই বছর আগে গাছটি আনি। তারপর অনে যত্ন নিয়েছি। অবশেষে ফুলটি ফুটেছে। এতে আমরা অনেক খুশি। অনেকে ফুলটি দেখতে আসছেন।

আরাফাত রায়হান সাকিব/এসআর/জেআইএম