ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

মুন্সিগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্যাম্পে হামলা-ভাঙচুর

জেলা প্রতিনিধি | মুন্সিগঞ্জ | প্রকাশিত: ০৫:৩৯ এএম, ২০ নভেম্বর ২০২১

মুন্সিগঞ্জ সদরের রামপাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর তিনটি নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সিপাহীপাড়া, হাতিমারা ও দালালপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ হামলায় আহত হয়েছেন পাঁচজন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোশারফ হোসেন মোল্লার সমর্থকরা এ হামলা চালান বলে অভিযোগ করেছেন ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী বাচ্চু শেখ। অন্যদিকে মোশারফ মোল্লার দাবি, বাচ্চু শেখ আগে তার লোকজনের ওপর হামলা চালিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সিপাহীপাড়া চৌরাস্তায় ঘোড়া প্রতীকের বাচ্চু শেখের ক্যাম্পে অতর্কিত হামলা চালান নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর ১৫ থেকে ২০ জন সমর্থক। এসময় তারা ক্যাম্পে থাকা চেয়ার-টেবিল, সাউন্ডবক্স ভাঙচুর করেন। পরে ক্যাম্প থাকা কয়েকজনকে মারধর করে বের করে দেন হামলাকারীরা। একইভাবে হাতিমারা ও সুজানগর ক্যাম্পেও অতর্কিত হামলা করা হয়।

jagonews24

প্রত্যক্ষদর্শী স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক কমল বলেন, সন্ধ্যায় আমরা ক্যাম্পে বসে ছিলাম। হঠাৎ নৌকা নৌকা বলে স্লোগান দিতে দিতে মোটরসাইকেল নিয়ে ১৫ থেকে ২০ জন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এসে হামলা চালিয়েছে। এসময় তারা তিন-চারজনকে মারধর করে।

ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী বাচ্চু শেখ বলেন, সন্ধ্যায় আমি প্রচারণা চালাচ্ছিলাম। এসময় খবর আসে জেলা ছাত্রলীগ নেতা শান্তনূর, ফরহাদ হোসেন, চিস্তিয়া বেপারীর নেতৃত্বে আমার সিপাহীপাড়া ক্যাম্প ভাঙচুর করেছে ১৫-২০ জন। পরে খবর পাই আমার আরও দুটি ক্যাম্প ভাঙচুর করে লোকজনকে মারধরে করেছে তারা। আমার পাঁচজন কর্মী আহত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই যদি হয় অবস্থা তাহলে আমরা নির্বাচন কীভাবে করবো? আমি সংশ্লিষ্টদের প্রতি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাই।

jagonews24

এ বিষয়ে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোশারফ হোসেন মোল্লা বলেন, বাচ্চু শেখ কাজী কসবা এলাকায় ক্যাম্প উদ্বোধন করতে গিয়ে আমার কয়েকজন কর্মীকে মারধর করে ও হুমকি দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমার অন্য কর্মী-সমর্থকরা বিষয়টির খবর পেয়ে উত্তেজিত হয়ে বাচ্চুর ক্যাম্পে গিয়েছিল। প্রথমে সে মারধর করায় আমার সমর্থকরা ভাঙচুর করেছে।

এ বিষয়ে হাতিমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ অমর চন্দ্র দাস বলেন, আমরা দুটি ক্যাম্প ভাঙচুরের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরাফাত রায়হান সাকিব/এমআরআর