ধুনটে নৌকার প্রার্থীর কার্যালয়ে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বগুড়ার ধুনটে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ভোটের মাঠ। গত ১২ ঘণ্টায় গোপালনগর ও ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগসহ হুমকির ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী হয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম। রাতের কোনো এক সময় মহিশুরা ও কালিতলা বাজার এলাকায় ভাঙচুর করেছে। এছাড়া কাঠের তৈরি নৌকা প্রতীকে অগ্নিসংযোগ করেছে।
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাহ আলমের অভিযোগ, স্বতন্ত্রপ্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম ও তার কর্মী-সমর্থকেরা প্রতিহিংসা করে দুটি নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে। এছাড়াও নৌকা প্রতীকের একটি তোরণে আগুন দিয়েছে। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হবে।
অভিযুক্ত আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও তার সমর্থক আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। মূলত তারাই আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। এছাড়াও আমার নির্বাচনী অফিস ও প্রচারের মাইক ভাঙচুর করা হয়। এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছি।
এদিকে দুপুরে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আতিকুল করিম আপেল ও বেলাল হোসেনকে পৃথকভাবে হুমকি ও তাদের নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর ও পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আতিকুল করিম আপেল বলেন, তার বাড়ির সামনে নির্বাচনী বৈঠকখানায় নৌকার প্রার্থীর সমর্থকেরা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বেলাল হোসেন বলেন, নৌকার প্রার্থীর সমর্থকরা পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে। এসময় তাদের পোস্টার না ছেড়ার অনুরোধ করলে তাকে হুমকি দেওয়া হয়।
নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী আনোয়ার পারভেজ রুবন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার কথা শুনেছি। আমি অন্য এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলাম। পরে নেতা-কর্মীদেরকে এ ধরনের ঘটনা থেকে বিরত থাকার জন্য বলেছি।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন বিচ্ছিন্ন ঘটনার সংবাদ পেয়ে পরিদর্শন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরএইচ/এএসএম