ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

চাকচিক্যময় নৌযানে যাত্রী নিরাপত্তায় উদাসীনতা

আব্দুস সালাম আরিফ | প্রকাশিত: ০৯:০৬ এএম, ২৬ ডিসেম্বর ২০২১

বহুতল ভবন কিংবা স্থাপনায় অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা নিয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষের তদারকি থাকলেও পটুয়াখালী-ঢাকা নৌরুটে চলাচলকারী বহুতল লঞ্চগুলোতে কোনো তদারকি নেই। ফলে অপ্রতুল জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম নিয়ে এসব লঞ্চ চলাচল করায় যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌযানগুলোতে অগ্নি নির্বাবন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য আইনে সংশোধনী আনার দাবি লঞ্চযাত্রীদের।

patua1.jpg

পটুয়াখালীসহ দক্ষিণ উপকূলে ডাবল ডেকার যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো লোহার কাঠামোতে তৈরি হলেও সাজসজ্জা ও সৌন্দর্যের জন্য এতে সংযুক্ত করা হয় কাঠ, প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন দাহ্য পদার্থ। ফলে যেকোনো অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে লঞ্চে। তবে সেই অনুপাতে লঞ্চগুলোতে নেই অগ্নি নির্বাপনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। এতে করে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। সম্প্রতি ঝালকাঠিতে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা যাত্রীদের মধ্যে নতুন করে ভয় ঢুকিয়েছে।

পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন লঞ্চঘাট থেকে ঢাকায় প্রতিদিন ৮ থেকে ১০টি এবং ঢাকা থেকেও সমান সংখ্যক দ্বীতল ও তিন তলা বিশিষ্ট লঞ্চ ছেড়ে যায়। এসব লঞ্চে শত শত মানুষ চলাচল করেন। তবে লঞ্চের ইঞ্জিন রুমে অগ্নিনির্বাপন সামগ্রী থাকলেও কেবিন কিংবা ডেকে কোনো কিছু রাখা হয় না।

patua1.jpg

পটুয়াখালী শহরের নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা কামাল শরিফ বলেন, ‘যেহেতু নৌযানেও অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে সে কারণে এই বিষয়ে এখন গুরুত্ব দেওয়ার সময় হয়েছে। আমরা যাতে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারি সেজন্য সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে।

পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহাকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘বহুলতল ভবনগুলো নিয়মিত মনিটরিংয়ে রাখা হলেও আইনের মধ্যে না থাকায় এসব বহুতল লঞ্চগুলোতে আমাদের কোনো মনিটরিং কিংবা সার্ভে করার সুযোগ নেই। তবে অধিদপ্তরের নির্দেশনা পেলে এ বিষয়ে আমরা কাজ করবো।

patua1.jpg

এদিকে এসব যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে নিয়মিত ফিটনেস সার্টিফিকেট প্রদান ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অভ্যান্তরীন নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কাজ করলেও অধিকাংশ লঞ্চেই যাত্রী অনুপাতে প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী সামগ্রীর অভাব লক্ষ্য করা গেছে।

এফএ/এমএস