এক ইউনিয়নে ৫৬ বাঁশের সাঁকো
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বিঝারী ইউনিয়নে ৫৬টি বাঁশের সাঁকো রয়েছে
সারাদেশে ব্রিজ, কালভার্টসহ রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হলেও পিছিয়ে রয়েছে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার বিঝারী ইউনিয়ন। ইউনিয়নটিতে প্রায় ৫৬টি বাঁশের সাঁকো রয়েছে। আর ভাঙাচোরা কাঠের সেতু রয়েছে ২০টির মতো। এজন্য কয়েকটি ব্রিজের দাবি ইউনিয়নবাসীর।
ইউনিয়নের বাসিন্দা আলী আহাম্মেদ কাজী জাগো নিউজকে বলেন, ‘রাস্তাঘাটের জন্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। চামটা, ফতেহজঙ্গুর ও ভোজেশ্বর এই তিনটি ইউনিয়ন ঘুরে আমার বিঝারীর বাড়ি যেতে হয়। ইউনিয়নে এতগুলো বাঁশের সাঁকো, অথচ কোনো ব্রিজ নেই।’

নজরুল কাজী, আবদুর রাজ্জাক, রায়হান হাওলাদার, মো. ফেরদৌস ও আমির হোসেনসহ আরও কয়েকজন বলেন, ‘নড়িয়া উপজেলায় একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন রয়েছে। এরমধ্যে বিঝারী ইউনিয়ন সবচেয়ে অবহেলিত। অন্যান্য ইউনিয়নের তুলনায় আমাদের ইউনিয়নে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। সাঁকো ও কাঠের সেতুতে ভরা। সড়কের অবস্থাও বেহাল।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিঝারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার বলেন, ‘আমি এই ইউনিয়নের দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এলাকার উন্নয়নের জন্য কাজ করেছি। ৮০ থেকে ৯০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। ইউনিয়নবাসীর যোগাযোগের জন্য ব্রিজ ও কাঠের সেতু করা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি ৫৬ বাঁশের সাঁকো থাকলে একসঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়। আগামীতে অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করা হবে।’

নড়িয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহাবুদ্দীন খান জাগো নিউজকে বলেন, নড়িয়া উপজেলার ইউনিয়নগুলোর জন্য ৭০টি ব্রিজ-কালভার্টের প্রস্তাবনা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সড়কগুলোর উন্নয়নের জন্য কাজ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে বিঝারী ইউনিয়নের কাজগুলো সম্পূর্ণ করা হবে। কোনো কাজই অসম্পূর্ণ থাকবে না।
মো. ছগির হোসেন/এসআর/এএসএম