অপারেশনে মলদ্বারের নাড়ি কাটা: হাসপাতালের ২ পরিচালকের ৭ দিনের জেল
সাজাপ্রাপ্ত দুই পরিচালক
ফরিদপুরে অ্যাপেন্ডিসাইটিস অস্ত্রোপচার করার সময় এক গৃহবধূর মলদ্বারের নাড়ি কেটে ফেলার ঘটনায় শহরের পিয়ারলেস হাসপাতালের দুই পরিচালককে সাতদিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের কারনাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
জানা গেছে, ফরিদপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম ইমরাজিন টুনুর নেতৃত্বে রাত ৮টার দিকে এ আদালত পরিচালিত হয়। এসময় পিয়ারলেস হাসপাতালের পরিচালক মিঠুন চন্দ্র সরকার ও আসাদুজ্জামান আসাদকে সাতদিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানকালে জেলা সিভিল সার্জন ডা. ছিদ্দীকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সিভিল সার্জন ডা. মো. ছিদ্দীকুর রহমান কারাদণ্ডের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, হাসপাতালটির বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়ে এ অভিযান চালানো হয়। তারা ১০ শয্যার অনুমতি নিয়ে আরও বেশি শয্যা বসিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছিল। এছাড়া তাদের কোনো নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসক নেই। অনকল ডাক্তার দিয়ে তারা কাজ চালাচ্ছিল। ১২ জন নার্সের স্থলে মাত্র একজন নার্স রয়েছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও নেই। তাদের এক মাসের সময় দিয়ে এসব শর্ত পূরণ করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।

অভিযোগ রয়েছে, ফরিদপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ (বিএসএমএমসি) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক গৃহবধূকে ভাগিয়ে এই পিয়ারলেস হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে তার অ্যাপেন্ডিসাইটিস অস্ত্রোপচারের সময় মলদ্বারের নাড়ি কেটে ফেলা হয়।
এ নিয়ে জাগোনিউজ২৪.কমে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ডা. উৎপল নাগ ওই রোগীকে এখানে এনে অপারেশন করেন বলে হাসনা বেগম নামে ওই রোগীর স্বজনরা লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এন কে বি নয়ন/ইএ