লোকসানের ভয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানিতে অনীহা ব্যবসায়ীদের
ক্রেতা না থাকায় ট্রাকে পচে নষ্ট হচ্ছে ভারতীয় পেঁয়াজ
লোকসানের আশঙ্কায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আইপির মেয়াদ শেষ হওয়ায় আগে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ আমদানি করায় এ সিদ্ধান্ত নেন তারা।
শুক্রবার (১ এপ্রিল) হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন বলেন, পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুত ও দেশের বাজারে দাম কম থাকায় লোকসানের আশঙ্কায় আমদানি কারকরা পেঁয়াজ আমদানি করছে না। বন্দরে তিন হাজার টনের বেশি পেঁয়াজ বিক্রির অপেক্ষায় রয়েছে।
হিলি স্থলবন্দর ও স্থানীয় আড়ত ঘুরে দেখা যায়, মঙ্গলবার আমদানি করা ভারতীয় ১১ ট্রাক পেঁয়াজ ক্রেতা না থাকায় অবিক্রীত থেকে গেছে। স্থানীয় আড়ৎগুলোতে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা না থাকায় পচে যাচ্ছে এসব পেঁয়াজ। আড়ৎগুলোতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১-১২ টাকায়। খুচরা বাজারে সেটি ১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
পেঁয়াজ আমদানিকারক বাবু হোসেন জানান, আইপির মেয়াদ শেষ হওয়ায় দেশের বাজার স্বাভাবিক রাখতে বেশি পেঁয়াজ আমদানি করি। সরকার নতুন করে আইপি দেওয়ায় আমদানি করা সে পেঁয়াজগুলো এখনো বিক্রি করতে পারিনি। বন্দরে ক্রেতা নেই, পেঁয়াজের দামও কম। আমাদের এবার অনেক টাকা লোকসান গুনতে হবে।
আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন আরও জানান, ২৯ মার্চ আইপি মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। পরে রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার নতুন করে পেঁয়াজ আমদানির জন্য আইপি অনুমোদন দেয়। কিন্তু পর্যাপ্ত পেঁয়াজ থাকায় ব্যবসায়ীরা নতুন করে আমদানিতে আগ্রহী নয়। মঙ্গলবারের পর এখন পর্যন্ত কোনো পেঁয়াজ আমদানি হয়নি।
মো. মাহাবুর রহমান/আরএইচ/এমএস