ফেনীতে আবদুল আউয়াল মিন্টুর গাড়িবহরে হামলা
গাড়ি ভাঙচুর করা হয়
ফেনীর দাগনভূঞায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেরার পথে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে। তবে তাৎক্ষণিক তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
এ বিষয়ে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ফেনীর দাগনভূঞায় বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ ছিল। সে সমাবেশকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ পাল্টা কর্মসূচি দেয়। বিএনপি নেতাকর্মীদের শহরের দিকে আসতে বাধা দেয়। বিভিন্ন স্থানে হামলা ভাঙচুর করেছে। আমার গাড়িবহরেও হামলা করেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আকবর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, সোমবার রাত থেকে পৌর শহরে মোটরসাইকেল মহড়া দেয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। থেমে থেমে বিভিন্ন এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। সোমবার রাতে কয়েকজন নেতার বাড়িতে হামলা চালানো হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে বিএনপির কর্মসূচিতে আসার পথে অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
বিএনপি দলীয় সূত্র জানায়, আহতদের অনেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অনেকে গোপনে অন্য জায়গায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। আহতদের মধ্যে রহিম মোল্লা, সৈকত, মিলন, সোহাগ, মহিউদ্দীন, নুর ইসলাম, এরশাদ ও ফাহাদের নাম জানা গেছে।
দাগনভূঞা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু নাসের চৌধুরী আসিফ হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গে তারা জড়িত নয় বলে জানান।
দাগনভূঞা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র ওমর ফারুক খান দাবি করেন, হামলার ঘটনা বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল। এতে কোনো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী জড়িত নয়।
দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবদীন মামুন বলেন, বিএনপির কর্মসূচিকে ঘিরে দাগনভূঞায় যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এজন্য আমাদের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়েছিল। তবে মিন্টুর গাড়িবহরে কে বা কারা হামলা করেছে বিষয়টি জানা নেই।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হাসান ইমাম জাগো নিউজকে বলেন, আবদুল আউয়াল মিন্টুর গাড়িটি অক্ষত ছিল। তার কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পেছনের একটি গাড়িতে অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এসজে/এমএস