ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী মিমের স্বপ্নের পথে বড় বাধা অর্থ

জেলা প্রতিনিধি | কুষ্টিয়া | প্রকাশিত: ০৯:১৬ এএম, ১০ অক্টোবর ২০২২

দারিদ্র্যের আঘাতে পড়ালেখা হয়নি বড়ভাইয়ের। ছোটবোনেরও বিয়ে দেওয়া হয়েছে মাধ্যমিক পেরোনোর আগেই। ছোটভাই সবেমাত্র বিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করছে। চার ভাই-বোনের মধ্যে একমাত্র মিম আক্তারই ভর্তি হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু তারও অর্থাভাবে পড়ালেখা বন্ধের উপক্রম।

মিম আক্তার কুষ্টিয়ার কুমারখালীর শিলাইদহ ইউনিয়নের মাজগ্রামের ডালিম শেখের মেয়ে। তার বাবা একজন ভ্যানচালক। চার ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয় তিনি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বাণিজ্য শাখার ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী মিম।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মিম শিলাইদহ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ডিগ্রি কলেজের বাণিজ্য বিভাগ থেকে জিপিএ -৫ পেয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য শাখার ব্যবস্থাপনা বিভাগে ভর্তি হয়েছেন।

তবে ভর্তি হলেও রাজশাহীতে যাওয়া এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় সামলানো নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন মিম এবং তার দরিদ্র বাবা।

এ বিষয়ে মিম আক্তার বলেন, খুবই দুশ্চিন্তায় আছি। আমার ছোটবোনও মেধাবী ছিল। কিন্তু দারিদ্র্যের কারণে ওর পড়া হয়নি, বিয়ে হয়ে গেছে। আমি পড়ালেখা করতে চাই। কিন্তু আমার স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ। নভেম্বরের এক তারিখে ক্লাশ শুরু। এখনো অর্থের যোগান হয়নি। সবার সহযোগিতায় আমার সংকট কাটিয়ে রাবি থেকে পড়াশোনা শেষ করতে চাই।

মিম আক্তারের বাবা ডালিম শেখ বলেন, মিম খুব মেধাবী। এসএসসির পর বিয়ের কথা বলেছিলাম। কিন্তু মিম বিয়ে না করে টিউশনি করে আইএ (এইচএসসি) পাস করেছে। এখন আবার ধারদেনা করে ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে। আমি গরিব মানুষ। খাওয়ার টাকাই জোগাড় হয় না। ওকে (মিম) পড়াবো কী করে?

আল মামুন সাগর/এমএইচআর/এমএস