ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

‘অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংগ্রাম করেছেন প্রধানমন্ত্রী’

জেলা প্রতিনিধি | দিনাজপুর | প্রকাশিত: ০৪:৪৭ পিএম, ০৮ নভেম্বর ২০২২

 

শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। যতদিন তিনি ক্ষমতায় থাকবেন, ততদিন এদেশের সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন। এরই মধ্যে ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা চালানো হয়েছে। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা হলে এদেশে কেউ আর কোনো সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টি করতে পারবে না।

সোমবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কান্তজীউর রাস উৎসব উপলক্ষে মাসব্যাপী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। কাহারোল উপজেলার ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দিরে এ মেলার আয়োজন করে দিনাজপুর রাজ দোবোত্তর এস্টেট।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল বলেন, দিনাজপুর জেলা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নিদর্শন। কোনো কুচক্রী মহল এই সম্প্রীতিকে নষ্ট করতে পারবে না। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এদেশে সব ধর্মের মানুষ তাদের সমান অধিকার ভোগ করে আসছে। আর এই ঐতিহাসিক কান্তজিউ মন্দিরে রাস মেলাকে কেন্দ্র করে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে নিচ্ছে হাজারো মানুষ। মেলায় সব ধর্মের মানুষরা একসঙ্গে অংশ নিয়ে আমাদের সাম্প্রদায়িক সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তুলেছে।

jagonews24

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরুল হাসানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) দেবাশিষ চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি স্বরূপ কুমার বকসী বাচ্চু, স্বাগত বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর রাজ দেবোত্তর এস্টেট এর এজেন্ট রনজিৎ কুমার সিংহ।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রতন সিং। পবিত্র গীতা পাঠ করেন বিশিষ্ট ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও এস্টেটের সদস্য ডি সই রায়।

এর আগে আনুষ্ঠানিক ভাবে ফিতা কেটে মাসব্যাপী রাস মেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপিসহ অন্যান্য অতিথিরা।

প্রতি বছর বাংলা কার্তিক মাসের চাঁদের পূর্ণিমায় এই রাস উৎসব পালিত হয়। রাস উৎসব উপলক্ষে বসে রাস মেলা। মেলায় দেশের প্রায় সব জেলাসহ ভারত থেকেও শতশত ভক্তরা মেলায় আসেন। নির্মল বিনোদনের জন্য সার্কাসসহ ধর্মীয় কীর্তনগান ছাড়াও হিন্দু ধর্মীয় বই-পুস্তক, শাঁখা-সিঁদুর, শড়খ, বালা, চুড়িসহ নানান পণ্যের পসরা সমৃদ্ধ দোকান মেলায় শোভা পেয়েছে।

এমদাদুল হক মিলন/জেএস/এমএস