ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

ইরফান হত্যা

সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ায় আত্মগোপনে জড়িতরা

জেলা প্রতিনিধি | যশোর | প্রকাশিত: ০৭:৩৩ পিএম, ২৬ ডিসেম্বর ২০২২

যশোরে ছুরিকাঘাতে ইরফান ফারাজী (২৬) হত্যার পাঁচ দিনেও কাউকে আটক করা হয়নি। হত্যাকাণ্ডের সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় জড়িতরা আত্মগোপনে আছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২২ ডিসেম্বর বিকেলে শহরের কারবালা ধোপাপাড়া এলাকায় দিনদুপুরে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে ইরফান ফারাজীকে (২৬) হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহত ইরফান পৌর শহরের কারবালা ধোপাপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলাম ফারাজীর ছেলে। তিনি খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ডিপ্লোমা শেষ করেছেন। চাকরি না পেয়ে স্থানীয় ফারাজি স্টোর নামে একটি মুদি দোকানে ব্যবসা করছিলেন তিনি। হত্যার ঘটনায় ইরফানের বড় ভাই ইমরান শুক্রবার রাতে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।

এদিকে ইরফান হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্বজন, জনপ্রতিনিধিসহ এলাকাবাসী।

সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে যশোর প্রেস ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে একই সঙ্গে পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন তারা।

স্থানীয় কাউন্সিলর রাজিবুল আলম বলেন, ‘ইরফান এলাকায় ভদ্র ছেলে হিসেবে পরিচিত। জানা মতে তার সঙ্গে কারো শত্রুতা নেই। দুর্বৃত্তরা তাকে প্রকাশ্যে হত্যা করে। জড়িতদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করেছে পুলিশ। অথচ ঘটনার পাঁচদিন চললেও এখনো পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। জড়িতদের দ্রুত আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ কে এম শফিকুল আলম চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, কেউ এখনো আটক হয়নি। সিসিটিভির ফুটেজ ফেসবুকসহ বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ায় জড়িতরা আত্মগোপনে চলে গেছেন। কী কারণে ইরফান হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন তা জানা যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকেও হত্যাকাণ্ডের কোনো ক্লু দিতে পারছে না।

পরিদর্শক শফিকুল আরও বলেন, তবে ধারণা করছি দোকানে বেচাকেনা নিয়ে কারো সঙ্গে কথা কাটাকাটি, মেয়েলি কোন ঘটনা বা খুলনায় পড়াশোনা চলাকালে কারো সঙ্গে শত্রুতার সূত্র ধরে ইরফানকে হত্যা করা হতে পারে।

মিলন রহমান/এসজে/এএসএম