সিরাজগঞ্জ প্রেস ক্লাবের নির্বাচন স্থগিত
সিরাজগঞ্জ প্রেস ক্লাবের নির্বাচন স্থগিত করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) সিনিয়র সহকারী জজ সুলতান প্রধান এ রায় দেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবী রেজাউল করিম রাখাল বলেন, আদালতের এ নির্দেশের ফলে প্রেস ক্লাবের নির্বাচনী প্রক্রিয়া পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত স্থিতাবস্থায় থাকবে। এ জন্য উভয়পক্ষকে আদালত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৩ মার্চ অগঠনতান্ত্রিকভাবে সিরাজগঞ্জ প্রেস ক্লাবের কার্যকরী কমিটির নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত ছিল।
সিরাজগঞ্জ প্রেস ক্লাবের নতুন বৈধ ১৯ জন অন্তর্ভুক্ত সদস্যকে বাদ দিয়ে অগঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করলে ৭ মার্চ মঙ্গলবার সাংবাদিক জেহাদুল ইসলাম মামলাটি করেন।
আরও পড়ুন: নোয়াখালী প্রেস ক্লাবের নির্বাচন স্থগিত করলেন হাইকোর্ট
মামলার এজাহারে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বহুল প্রচারিত দৈনিক ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সাংবাদিকতা করছেন তারা। পেশাদার সাংবাদিক হয়েও একটি চক্রের কারণে বার বার প্রেস ক্লাবে সদস্য পদের আবেদন করলেও নেওয়া হয়নি। বারবারই চক্রটি গঠনতন্ত্র না মেনে সদস্য নেওয়ার ব্যাপারে বিরোধিতা করে আসছিলেন। কিন্তু সব বাঁধা-বিপত্তি পেরিয়ে বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি নতুন সদস্য নেওয়ার জন্য একটি সার্চ কমিটি গঠন করে সব কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে ১৯ জনকে সদস্যপদ দেওয়া হয়। এরপর ওই চক্রটি নানা ষড়যন্ত্র ও বিরোধিতা করে বৈধভাবে নেওয়া ১৯ সদস্যকে বাদ দিয়ে অবৈধভাবে একটি বৈঠক করে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে।
মামলার বাদী জেহাদুল ইসলাম বলেন, জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের একমাত্র প্রিয় সংগঠন সিরাজগঞ্জ প্রেস ক্লাবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বিনষ্ট করে মনগড়া নিয়মে চলতে পারে না। আমরা সঠিক নিয়মে নতুন করে ১৯ জন সদস্য অন্তর্ভুক্ত হলে আমাদের বাদ দিয়ে একটি পাঁতানো নির্বাচনের আয়োজন করা হয়। এ নিয়ে বারবার কথা বলেও কোন কাজ হয়নি। তাই আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি।
আদালত ৭ মার্চ মঙ্গলবার মামলাটি আমলে নিয়ে নির্বাচন কমিশন, ট্রাইব্যুনাল ও আহ্বায়ক কমিটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে বৃহস্পতিবার শুনানির দিন নির্ধারণ করেন আদালত। তবে বিবাদীপক্ষ এক দরখাস্ত দ্বারা সময়ের প্রার্থনা করলে নির্বাচনী কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন।
এম এ মালেক/আরএইচ/জেআইএম