ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. দেশজুড়ে

জাগো নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর

কক্সবাজারে পাঁচ উপজেলায় যুবলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা

সায়ীদ আলমগীর | কক্সবাজার | প্রকাশিত: ০৯:২৮ এএম, ১৪ অক্টোবর ২০২৩

সম্মেলন সম্পন্ন হলেও কাউন্সিল না হওয়া কক্সবাজারের পাঁচটি উপজেলায় যুবলীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা হয়েছে। তিন বছরের জন্য এসব কমিটির অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় যুবলীগ।

ঘোষিত পাঁচ কমিটিতেই ত্যাগী ও পরীক্ষিতরা সভাপতি ও সম্পাদক হিসেবে স্থান পেয়েছে বলে অভিমত তৃণমূলের। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে।

যুবলীগের কেন্দ্রীয় দফতর সূত্র জানিয়েছে, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) দলের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের যৌথ স্বাক্ষরে তিন বছরের জন্য পাঁচ উপজেলায় আংশিক এ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা যুবলীগের অন্তর্গত কমিটিগুলোতে কক্সবাজার পৌরশাখায় ডালিম কুমার বড়ুয়াকে সভাপতি ও শাহেদ মুহাম্মদ ইমরানকে সাধারণ সম্পাদক, মহেশখালী উপজেলায় মো. শাহজাহানকে সভাপতি ও সাজেদুল করিমকে সাধারণ সম্পাদক, কুতুবদিয়া উপজেলায় আবু জাফর ছিদ্দিকীকে সভাপতি ও খোরশেদ আলমকে সাধারণ সম্পাদক, উখিয়া উপজেলায় ইমাম হোসেনকে সভাপতি ও সরওয়ার কামাল পাশাকে সাধারণ সম্পাদক এবং রামু উপজেলায় পলক বড়ুয়া আপ্পুকে সভাপতি ও রাশেদ আলীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সাবেক কমিটির দপ্তর সেলের দায়িত্ব পালন করা মুহাম্মদ ফারুক জানান, ৯-১৩ মার্চ পর্যন্ত কক্সবাজার পৌর শাখা, মহেশখালী উপজেলা, কুতুবদিয়া উপজেলা, উখিয়া উপজেলা ও রামু উপজেলা শাখা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন হয়। কমিটিগুলোকে ৩০ দিনের মধ্যে ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্রে অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তৃণমূলে কাউন্সিল না হওয়ায় নেতা নির্বাচনে অনৈতিক লেনদেন ও ‘মাইম্যান’ হলে অনভিজ্ঞও কমিটির পদ-পদবী পাওয়ায় ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ নিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর জাগোনিউজ২৪.কম-এ ‘কাউন্সিলে হয় না নেতা নির্বাচন: রাজনীতি নিয়ে তৃণমূলে অনীহা-অসন্তোষ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। তথ্যবহুল প্রতিবেদন প্রকাশের একমাসের মাথায় কক্সবাজার জেলা যুবলীগের পাঁচটি উপজেলার এ আংশিক কমিটি ঘোষণা হলো।

কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো. খোরশেদ আলম জাগো নিউজকে বলেন, সাম্প্রতিক রাজনীতি নিয়ে তৃণমূলে চরম অসন্তোষ দানা বাঁধে। ছাত্রলীগ-যুবলীগ থেকে উঠে আসা নেতৃত্বকে আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের দায়িত্বপালনে উপযোগী করতে তৃণমূলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে সুসংগঠিত করে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখা দরকার। গণতান্ত্রিক চর্চায় কাউন্সিলে ভোটে নেতা নির্বাচিত হতে পদপ্রত্যাশীরা কর্মী সৃষ্টি ও যোগাযোগ বৃদ্ধি করতো। কিন্তু দল টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকায় এ ধারার ব্যত্যয় ঘটছে তৃণমূলে। তবে, সদ্য ঘোষিত কমিটিতে ত্যাগী ও পরীক্ষিতরা স্থান পেয়েছে।

কক্সবাজার জেলা আওয়মী লীগ নেতা রাশেদুল ইসলাম বলেন, ঘোষিত কমিটির সভাপতি-সম্পাদকগণ পরিশ্রমী ও ত্যাগী ছাত্র ও যুবনেতা। তাদের নেতৃত্বে স্ব স্ব উপজেলায় পুনরায় ‘চেইন অব কমান্ড’ ফিরিয়ে দলে প্রাণচাঞ্চল্য আনবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মাহবুবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, উপজেলা কমিটির শীর্ষ পদগুলোতে ত্যাগী ও যোগ্যদের স্থান দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। জেলা কমিটির নেতৃত্বেও একই ধারা বহমান রাখবে এমনটা প্রত্যাশা করছি। অতীতের অযোগ্য নেতৃত্বের কারণে জৌলুস হারানো জেলা যুবলীগে যাদের নেতৃত্বে আবারো প্রাণোচ্ছলতা আসবে, তেমন সক্ষমতা সম্পন্নদেরই সভাপতি-সম্পাদক করা উচিত।

সায়ীদ আলমগীর/এসজে/এএসএম