কচুয়া-গৌরিপুর সড়ক যেন মরণ ফাঁদ
লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুরসহ পূর্বাঞ্চলের জনগণ সহজে ঢাকায় যাতায়াতের জন্য কচুয়া-গৌরিপুর সড়ক ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু বর্তমানে এ সড়কের পিচ ঢালাই উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় তা মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।
জানা গেছে, বিধ্বস্ত এ সড়ক দিয়ে যাত্রীবাহী বাসসহ যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এ কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া এ সড়ক দিয়ে এখন সাধারণ মানুষ যাতায়াত করতে পারছে না। এমনকি আশপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরাও সময় মতো স্কুলে উপস্থিত হতে পারছে না। এক কথায় এলাকাবাসীসহ বৃহত্তর লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুরের জনগণ সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে যাতায়াত করতে হচ্ছে। 
অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়কটি নির্মাণে তেমন কোনো ভূমিকা রাখছে না। বর্তমানে চাঁদপুর অংশের সামান্য মেরামতের কাজ চললেও বেশির ভাগ কাজ আগামী বছর শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষ। এই আশঙ্কায় সড়কটি আগামী এক বছরে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে চলাচলের সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়বে।
এদিকে, আসন্ন বৃষ্টির মৌসুমে সড়কের অবস্থা কোনো পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়াবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
এ সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের কয়েকজন চালক জাগো নিউজকে জানান, সড়কটির বর্তমানে খুবই বেহাল দশা। জীবনের ঝুঁকিতে যাত্রী নিয়ে যানবাহন চলাচল করতে হচ্ছে। বেশিরভাগ সময়ই যানবাহনের যন্ত্রাংশ ভেঙে যায় এবং যাত্রী নিয়ে গাড়িসহ রাস্তায় সময় কাটাতে হচ্ছে। এতে যাত্রীদেরও দুর্ভোগ বেড়ে যায়। যার কারণে এ সড়কে যাত্রীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। তারা সড়কটি দ্রুত মেরামতের দাবি জানিয়েছেন। 
এদিকে এলাকাবাসীও সড়কটিতে চলাচলে দুর্ভোগের কথা জানিয়ে দ্রুত সংস্কারের দাবি করেছেন।
সড়ক ও জনপদ বিভাগের হাজীগঞ্জ, চাঁদপুরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুলাহ আল মামুন জাগো নিউজকে জানান, চাঁদপুর-গৌরিপুর সড়কের চাঁদপুর অংশের ৩২ কিলোমিটারের মধ্যে ১৪ কিলোমিটার রাস্তা ১১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা ব্যয়ে সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। যা আগামী জুনে শেষ হবে। বাকী ১৬ কিলোমিটার রাস্তা ও ৪টি ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণে ৬৫ কোটি টাকার ডিপিবি অনুমোদন হয়েছে। আগামী বছর এ কাজ শুরু হবে।
এসএস/এমএস