ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. অর্থনীতি

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৮:৪৭ এএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনসচেতনতা তৈরিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এ অন্তর্ভুক্ত সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবসমূহের ওপর গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে দেশের সব ব্যাংকের শাখা ও উপশাখার সামনে দৃষ্টিনন্দন স্থানে ব্যানার টানাতে হবে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে দেওয়া নির্দেশনার আলোকে প্রতিটি শাখায় দুটি খাড়া ব্যানার প্রিন্ট ও প্রদর্শনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণার আহ্বান জানান। কয়েকটি ব্যাংক তা বাস্তবায়ন শুরু করলেও কিছু ব্যাংক লিখিত নির্দেশনা ছাড়া প্রচারণায় অংশ নিতে অপারগতা প্রকাশ করে। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

গত সপ্তাহে রাজধানীর সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ও জনতা ব্যাংকের একাধিক শাখায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণামূলক ব্যানার টানাতে দেখা গেছে। এসব ব্যানারে লেখা ছিল, ‘গণভোট ২০২৬, সংসদ নির্বাচন। দেশের চাবি আপনার হাতে। আপনি কি এমন বাংলাদেশ চান, যেখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে?’

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে মোট ১২টি বিষয়ে সচেতনামূলক প্রচারণার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং সে অনুযায়ী ব্যানারের নমুনা ছবিও সংযুক্ত করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে, সরকার ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না। গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনে গণভোট বাধ্যতামূলক হবে। বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব ধাপে ধাপে বৃদ্ধি ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় পার্লামেন্টে উচ্চকক্ষ গঠন। বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ। মৌলিক অধিকারের পরিধি বৃদ্ধি, ইন্টারনেট সেবা বন্ধ না করার নিশ্চয়তা। দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতির ইচ্ছামতো ক্ষমা করার সুযোগ সীমিতকরণ। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা।

ইএআর/এসএনআর