ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. অর্থনীতি

জাহাজ নির্মাণ খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের মেয়াদ বাড়ালো বাংলাদেশ ব্যাংক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৩:৩৪ এএম, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি ও সম্ভাবনাময় জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে আরও গতিশীল করতে ২ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের মেয়াদ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ স্কিমের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করতে পারবে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে জারি করা এক সার্কুলারে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর আগে, এ স্কিমে আবেদন করার শেষ সময় ছিল ২০২৪ সালের ৩০ জুন। জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং রপ্তানি আয়ে এ খাতের অবদান বাড়ানোর লক্ষ্যে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক এই পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের সুবিধা নিতে পারবে। তবে আগ্রহী ব্যাংকগুলোকে ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-৩ এর সঙ্গে অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে। স্কিমটির সার্বিক তদারকি ও পরিচালনার দায়িত্বও এ বিভাগের ওপর থাকবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, পুনঃঅর্থায়নের আবেদন পদ্ধতি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল এবং তহবিল ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট বিভাগের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে ব্যাংকগুলোকে। নিজস্ব নীতিমালার আওতায় গ্রাহকদের ঋণ বা বিনিয়োগ অনুমোদনের সুযোগ থাকলেও, তহবিলের আওতায় ঋণ মঞ্জুরের আগে ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-৩ থেকে অর্থের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

তহবিল প্রাপ্যতার জন্য আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঋণ বিতরণ ও পরিশোধসূচি সংযুক্ত করার বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে। ঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পর ব্যাংকগুলো ধাপে ধাপে গ্রাহকদের অর্থ বিতরণ করতে পারবে। ঋণ বিতরণের পর পুনঃঅর্থায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করা যাবে। প্রয়োজনে অন্তর্বর্তীকালীন কিস্তির বিপরীতেও পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণের সুযোগ থাকবে।

এ ছাড়া ইসলামি শরীয়াহভিত্তিক ব্যাংক এবং অন্যান্য ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের আওতায় অনুমোদিত বিনিয়োগও এই স্কিমের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো নিজস্ব শরীয়াহসম্মত বিনিয়োগ পদ্ধতি অনুসরণ করে তহবিল ব্যবহার করতে পারবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, সময়সীমা বৃদ্ধির বাইরে পূর্বের সার্কুলারে উল্লিখিত অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সিদ্ধান্তের ফলে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন বাড়বে, নতুন উদ্যোক্তা উৎসাহিত হবে এবং রপ্তানিমুখী এ খাত আরও শক্তিশালী হবে।

ইএআর/এমএমকে