ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. অর্থনীতি

পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণ প্রক্রিয়া চলবে: গভর্নর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৮:৩২ পিএম, ০৩ মার্চ ২০২৬

একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর তহবিল তসরুফের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে গভর্নরের কার্যালয়ে পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বৈঠকে গভর্নর জানান, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। পাশাপাশি ব্যাংকটির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ বহাল থাকবে। এছাড়া পাঁচ ব্যাংকের আওতাধীন যেসব কারখানার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে, সেগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গভর্নর বলেন, এসব কারখানাকে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিদেশি বকেয়া থাকলে তা পরিশোধের উদ্যোগও নেওয়া হবে। তার এই বার্তার মাধ্যমে পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে তৈরি হওয়া ধোঁয়াশা দূর হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এর আগে গত রোববার ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাতে গেলে গভর্নর একই ধরনের বার্তা দেন। তিনি বলেন, ব্যাংক খাতে চলমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং কোনো রাজনৈতিক চাপের কাছে তিনি নতিস্বীকার করবেন না।

তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রথম ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নীতিসহায়তা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ পাঁচটি ব্যাংক এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়। নতুন ব্যাংকটি ৩৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করে। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা, আর বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হবে আমানতকারীদের তহবিল থেকে।

এছাড়া প্রায় ৭৮ লাখ আমানতকারীর জন্য আমানত বিমা তহবিল থেকে জনপ্রতি দুই লাখ টাকা করে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইএআর/এমআইএইচএস