৩০৫ কোটি টাকার রাইসব্রান তেল কিনবে সরকার
ফাইল ছবি
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির জন্য ১ কোটি ৮০ লাখ লিটার রাইস ব্রান তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০৫ কোটি ৫৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
বুধবার (১১ মার্চ) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবে ৪ লটে ৮০ লাখ লিটার রাইস ব্রান তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা।
স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮০ লাখ লিটার রাইস ব্রান তেল কেনার লক্ষ্যে দরপত্র আহ্বান করা হলে ১১টি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। দরপ্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করে সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসির সুপারিশে ৪টি লটে ৪টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এ তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর মধ্যে একটি লটে যশোরের মজুমদার ব্রান অয়েল মিলস লিমিটেড ২০ লাখ লিটার রাইস ব্রান তেল কেনা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটারের দাম ধরা হয়েছে ১৬৯ টাকা ৭৫ পয়সা। এতে ২০ লাখ লিটারের তেল কিনতে খরচ হবে ৩৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।
আর একটি লটে ঢাকার গ্রিন অয়েল অ্যান্ড পোলট্রি ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ থেকেও ২০ লাখ লিটার রাইস ব্রান তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটারের দাম ধরা হয়েছে ১৬৯ টাকা ২৫ পয়সা। এতে ২০ লাখ লিটারের দাম পড়বে ৩৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
আর একটি লটে ঢাকার তামীম অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড থেকেও ২০ লাখ লিটার রাইস ব্রান তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটারের দাম ধরা হয়েছে ১৬৯ টাকা ২৫ পয়সা। এতে ২০ লাখ লিটারের তেল কিনতে খরচ হবে ৩৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এছাড়া আর একটি লটে গাইবান্ধার প্রধান অয়েল মিলস লিমিটেড থেকেও ২০ লাখ লিটার রাইস ব্রান তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটারের দাম ধরা হয়েছে ১৬৭ টাকা ৫০ পয়সা। এতে ২০ লাখ লিটারের তেল কিনতে খরচ হবে ৩৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আর এক প্রস্তাবে ৫টি লটে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কোটি লিটার রাইস ব্রান তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এ তেল কিনতে ব্যয় হবে ১৭০ কোটি ৪১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এই তেল কেনার জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হলে ১১টি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। দরপ্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করে সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসির সুপারিশে রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা ৫টি প্রতিষ্ঠান থেকে তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে ২০ লাখ লিটার করে তেল কেনা হবে।
এর মধ্যে যশোরের মজুমদার ব্রান অয়েল মিলস থেকে প্রতি লিটার ১৭০ টাকা ৭৫ পয়সা দরে ২০ লাখ লিটার ৩৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা, ঢাকার মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেড থেকে প্রতি লিটার ১৭০ টাকা ৪০ পয়সা দরে ২০ লাখ লিটার ৩৪ কোটি ৮ লাখ টাকা, ঢাকার তামীম অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে প্রতি লিটার ১৭০ টাকা ২৫ পয়সা দরে ২০ লাখ লিটার ৩৪ কোটি ৫ লাখ টাকা, ঢাকার গ্রিন অয়েল অ্যান্ড পোলট্রি ফিড ইন্ডাস্ট্রি থেকে প্রতি লিটার ১৭০ টাকা ২৯ পয়সা দরে ২০ লাখ লিটার ৩৪ কোটি ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং ঢাকার মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেড থেকে প্রতি লিটার ১৭০ টাকা ৪০ পয়সা দরে ২০ লাখ লিটার ৩৪ কোটি ৮ লাখ টাকা দিয়ে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এমএএস/এমএএইচ/
সর্বশেষ - অর্থনীতি
- ১ দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নির্দেশ
- ২ সিদ্ধিরগঞ্জ গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন ট্যারিফ অনুমোদন
- ৩ ৩০৫ কোটি টাকার রাইসব্রান তেল কিনবে সরকার
- ৪ খেলাপি ঋণ আদায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া জোরদারের নির্দেশ
- ৫ শিল্পের চলমান সংকট নিরসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপ চায় বিজিএমইএ