ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. শিক্ষা

প্রাথমিকে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য, নিয়োগ-পদোন্নতি কবে?

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৮:১১ পিএম, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

দেশের ৩৪ হাজারেরও বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এর ফলে পাঠদান ও প্রশাসনিক তদারকি মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত এসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, আইনি জটিলতার কারণে শূন্য পদগুলোতে নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি দিতে পারছেন না তারা। মামলাগুলোর নিষ্পত্তি হলে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারি ও মন্ত্রণালয়ের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে মোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৪৫৭টি। এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৪ হাজার ১৫৯টি প্রধান শিক্ষকের পদই এখন শূন্য। শূন্যপদ পূরণে বিধিমালা সংশোধন করা হলেও আইনি জটিলতায় পদোন্নতি প্রক্রিয়া আটকে থাকায় সংকট কাটছে না।

আরও পড়ুন
কোন কোন স্কুলে অনলাইনে ক্লাস, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী 
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ঈদ বোনাস ‌‌‌‌‌‘আপাতত’ বাড়ছে না‌ 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষক পদের মোট শূন্য পদের ৮০ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে এবং বাকি ২০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করার বিধান রয়েছে। গত বছর এ বিধিমালা চূড়ান্ত করা হলেও সিংহভাগ পদোন্নতিযোগ্য পদের জট খুলছে না একটি চলমান মামলার কারণে। ফলে যোগ্যতাসম্পন্ন হাজার হাজার সহকারী শিক্ষক পদোন্নতির সব শর্ত পূরণ করেও দায়িত্ব পাচ্ছেন না।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, আইনি জটিলতা বা মামলার কারণে পদোন্নতি প্রক্রিয়াটি কিছুটা থমকে আছে। আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই আদালতে মামলার নিষ্পত্তি হবে। মামলার জট খুললেই বড় আকারে পদোন্নতি দিতে পারবো। সরাসরি নিয়োগের বিষয়টিও আমরা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি।

শূন্য পদের মাত্র এক হাজার ১২২টিতে নিয়োগে পিএসসির মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। স্বল্পসংখ্যক এ পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন প্রায় সাত লাখ চাকরিপ্রার্থী। অর্থাৎ প্রতিটি পদের জন্য লড়বেন গড়ে ৬২৪ জন। গত বছরের অক্টোবর মাসে এ আবেদনপ্রক্রিয়া শেষ হলেও এখন পর্যন্ত পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত হয়নি।

পিএসসি জানিয়েছে, আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় পরীক্ষা আয়োজনে বড় কারিগরি ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এএএইচ/কেএসআর