ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. বিনোদন

জনি ডেপের সঙ্গে ডিভোর্স মামলার ভয়বাহ অভিজ্ঞতা জানালেন অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক | প্রকাশিত: ১১:২৬ এএম, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

সাবেক স্বামী জনি ডেপের সঙ্গে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর খুব কমই এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যাম্বার হার্ড। তবে এবার একটি প্রামাণ্যচিত্রে নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিরল মন্তব্য করেছেন তিনি। প্রামাণ্যচিত্রটির নাম ‘সাইলেন্সড’। এটি প্রদর্শিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সানড্যান্স চলচ্চিত্র উৎসবে।

প্রামাণ্যচিত্রে হার্ড বলেন, এই আইনি লড়াইয়ের পর তিনি যেন নিজের কণ্ঠই হারিয়ে ফেলেছেন। তার ভাষায়, ‘এটা আমার গল্প বলার বিষয় নয়। আমি আমার কথা বলার ক্ষমতাই হারিয়ে ফেলেছি। আমি আর নিজের গল্প বলতে চাই না। সত্যি বলতে, আমি আর আমার কণ্ঠ ব্যবহার করতেও চাই না। এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা।’

এই প্রামাণ্যচিত্রে মূলত দেখানো হয়েছে কীভাবে মানহানির মামলাকে ব্যবহার করে নির্যাতনের শিকার নারীদের কণ্ঠ রোধ করা হয়। পরিচালক সেলিনা মাইলসের সঙ্গে আলাপে হার্ড নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

জনি ডেপের করা একটি মামলার সময় তার পাশে থাকা মানবাধিকার আইনজীবী জেনিফার রবিনসনও এই প্রামাণ্যচিত্রে অংশ নিয়েছেন। সে সময় ব্রিটিশ একটি পত্রিকার বিরুদ্ধে করা মামলায় হার্ড গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। ওই মামলার অভিজ্ঞতা স্মরণ করে হার্ড বলেন, ‘মামলা শেষ হওয়ার সময় সংবাদমাধ্যমে কথা বলার কথা উঠেছিল। আমি ভেবেছিলাম, যদি আমাকে আক্রমণ করা হয়, তাহলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। কিন্তু আমি বুঝতে পারিনি, একজন নারী হিসেবে নিজের কণ্ঠ ব্যবহার করলে পরিস্থিতি আমার জন্য আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।’

প্রামাণ্যচিত্রে আরও দেখানো হয়েছে কলম্বিয়ার এক সাংবাদিক এবং অস্ট্রেলিয়ার এক রাজনৈতিক কর্মীর লড়াইয়ের গল্প। সেখানে ক্ষমতাশালী মহল নারীদের কণ্ঠ দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

হার্ড বলেন, অন্য নারীদের সাহসী লড়াই তাকে শক্তি জোগায়। তার কথায়, ‘অন্যদের সংগ্রাম দেখে আমি শক্তি পাই। যারা ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতার বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তারা আমাকে অনুপ্রাণিত করে। আমার মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে আমি বিশ্বাস করতে চাই, ভবিষ্যৎ আরও ভালো হতে পারে।’

২০১৬ সালে অ্যাম্বার হার্ড ও জনি ডেপের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। সে সময় পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগ তোলেন হার্ড। পরে দুজনের মধ্যে একাধিক মামলা-মোকদ্দমা চলে। শেষ পর্যন্ত মানহানির মামলায় আদালত হার্ডের বিরুদ্ধে রায় দেন এবং তাঁকে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে উভয় পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছান।

বর্তমানে হার্ড তিন সন্তানের মা। প্রামাণ্যচিত্রটির মাধ্যমে তিনি মূলত সেই সব নারীর কণ্ঠ তুলে ধরতে চেয়েছেন যারা ক্ষমতাশালী ব্যবস্থার কারণে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন।

 

এলআইএ

আরও পড়ুন