ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. বিনোদন

ঈদের কমার্শিয়াল সিনেমা নিয়ে যে জ্ঞান দিলেন শাহরিয়ার নাজিম জয়

বিনোদন প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৩:৪৭ পিএম, ১৬ মার্চ ২০২৬

একসময় অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পেলেও বর্তমানে উপস্থাপক হিসেবেই বেশি আলোচিত শাহরিয়ার নাজিম জয়। উপস্থাপনার পাশাপাশি এখন নির্মাণ কাজেও যুক্ত হয়েছেন তিনি। এরইমধ্যে তৈরি করেছেন সিনেমা ও ওয়েব ফিল্ম।

আসছে ঈদে তার নির্মিত ‘পাপকাহিনী-২’ নামে ওয়েব ফিল্মটি উন্মুক্ত হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব জয়। আজ (১৬ মার্চ) সোমবার তিনি এক স্ট্যাটাসে ঈদের সিনেমা ও বাংলা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেন।

সেখানে জয় বলেন, ‘সারা বছর তো নানান কিছু দেখে নানান কিছু শিখেন। ঈদের সিনেমা দেখে না হয় কিছু নাই শিখলেন। কিন্তু ভেতরে এক ধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়ে ঘরে ফেরা কিম্বা গল্পের টুইস্টের ভেতর অনেকদিন বসবাস করা অথবা মনের অজান্তেই কোনো চরিত্রকে দীর্ঘদিন নিজের ভেতর লালন করা সেটাই হচ্ছে সত্যিকারের সিনেমাপ্রেমীদের চাওয়া। সাব কন্টিনেন্টে কমার্শিয়াল সিনেমা এরকমই। কমার্শিয়াল সিনেমা জ্ঞান বিতরণের জন্য বানানো হয় না। আমজনতার পালস বুঝে বানানো হয়। বহুকাল নির্মাতারা জনগণের পালস বুঝে নাই তাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ফ্লপ ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত হয়েছিল। এখন তো এটলিস্ট ঈদে দুই একটা সিনেমা সত্যিকার অর্থেই ব্যবসা করে। সেটাই বা মন্দ কি।’

তিনি আরও বলেন, ‘হিসাব করে দেখেন ‘প্রিন্স’, ‘রাক্ষস’, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, ‘প্রেশার কুকার’, ‘দম’, ‘পিনিক’ কিংবা বিভিন্ন প্লাটফর্ম ও ইউটিউব চ্যানেল মিলিয়ে যে কয়টি নতুন কনটেন্ট মুক্তি পাচ্ছে কমপক্ষে তার পেছনে প্রায় পঞ্চাশ কোটি টাকার মতো ইনভেস্টমেন্ট। একটা ইন্ডাস্ট্রির জন্য এটা একটা এগিয়ে যাওয়ার লক্ষণ। টাকা ফিরে না আসলে এত টাকা নিয়ে প্রযোজকরা নামতো না। বাংলা চলচ্চিত্র সমৃদ্ধ হোক। একজনকে জিজ্ঞেস করলাম এত ছবি ভাই কোনটা চলবে? উত্তরে উনি বললেন ওই যে শাকিব খান আর ধরেন বনলতা এক্সপ্রেস। আরেকজনকে জিজ্ঞেস করলাম সে বলল ভাই এবার রাক্ষস এলে সবার মাথা খারাপ হয়ে যাবে।

আরেকজনকে জিজ্ঞেস করলাম বললো দম এত ভালো ছবি হইছে চিন্তা করতে পারবেন না। আবার আরেক জনকে জিজ্ঞেস করলাম সে বলল রায়হান রাফি যেখানে আছে সে তার ম্যাজিক দেখাবেই প্রেশার কুকারই থাকবে এক নাম্বারে। এই যে নানান জনের নানান মত এতে বুঝা যায় সব ছবি তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাবে। যেটা টিকবে না সেটা তার অযোগ্যতা। যেটা টিকবে সেটাই যোগ্যতা।

দর্শক বোকা হলেও এত বোকা না যে তার পকেটের টাকা জলে ফেলে দিবে অনেক হিসাব নিকাশ করে সে সিনেমা দেখার জন্য হলে যাবে এবং অনেক প্রার্থীর ভেতর যেভাবে একজন প্রার্থীকে ভোট দিতে হয় সেভাবেই দর্শক অনেক ছবির ভিতরে তার পছন্দের ছবিটি বেছে নেবে।’ 

 

এমআই/এলআইএ