ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. স্বাস্থ্য

হাম প্রতিরোধে এমআর টিকা সবচেয়ে কার্যকর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০৭:৩৩ এএম, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর ও নিরাপদ উপায় হিসেবে এমআর টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মারুফ রায়হান খান।

তিনি বলেন, সরকারি রুটিন টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এ টিকা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও এমএমআর ভ্যাকসিন নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, যা প্রাপ্তবয়স্করাও গ্রহণ করতে পারেন।

শুক্রবার জাগো নিউজকে ডা. মারুফ রায়হান খান বলেন, সাধারণত শিশুদের ৯ মাস বয়সে প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়। কোনো ডোজই বাদ দেওয়া উচিত নয়। এই টিকাটি বাংলাদেশ সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার ৬ মাস বয়সী শিশুদেরও টিকাদানের আওতায় আনার কথা বিবেচনা করছে বলে জানান তিনি। আসন্ন বিশেষ ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী সব শিশুকেই হামের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, তারা আগে পূর্ণাঙ্গ বা আংশিক ডোজ নিয়ে থাকুক বা না থাকুক।

টিকার সময় নির্ধারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জন্মের সময় শিশুর শরীরে মায়ের কাছ থেকে পাওয়া প্রাকৃতিক অ্যান্টিবডি কিছু মাস পর্যন্ত সুরক্ষা দেয়। তাই ৯ মাস বয়সে গিয়ে টিকা দেওয়া হয়, যেন টিকার কার্যকারিতা সর্বোচ্চ হয়।

তবে কোনো এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে ৬ মাস বয়সেই একটি অতিরিক্ত ডোজ দেওয়া হতে পারে, যাকে ‘জিরো ডোজ’ বলা হয়। এরপর নিয়ম অনুযায়ী ৯ মাস বয়সে আবার টিকা দিতে হয়।

দুই ডোজ টিকার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, প্রথম ডোজে প্রায় ৮৫-৯০ শতাংশ সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। বাকি ঝুঁকি কমাতে ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় বা বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়।

ডা. মারুফ রায়হান খান আরও বলেন, এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং এর সঙ্গে অটিজম বা প্রতিবন্ধিতার কোনো সম্পর্ক নেই। টিকা নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বা ভ্রান্ত তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, টিকা নেওয়ার পরও কিছু ক্ষেত্রে হাম হতে পারে, কারণ টিকার কার্যকারিতা প্রায় ৯০-৯৫ শতাংশ। তবে অপুষ্টি বা দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি কিছুটা বেশি থাকতে পারে। তবুও টিকা নেওয়া থাকলে রোগের জটিলতা সাধারণত অনেক কম হয়।

হাম প্রতিরোধে সময়মতো টিকা নেওয়ার পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন এই বিশেষজ্ঞ।

এসইউজে/এমআরএম