ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

গাজা সংকট

৩৭ মানবাধিকার সংগঠন বন্ধে ইসরায়েলের হুমকি, ইইউ-জাতিসংঘের উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৮:২১ পিএম, ০১ জানুয়ারি ২০২৬

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় কার্যক্রম পরিচালনা করা ৩৭টি মানবাধিকার সংস্থার বিষয়ে কঠোর হচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। এসব সংস্থার প্যালেস্টাইন কর্মচারীদের বিস্তারিত তথ্য প্রদান করতে বাধ্য করা হবে। অন্যথায় সংস্থাগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে।

নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছে নেতানিয়াহু প্রশাসন। এর তীব্র সমালোচনা করেছে জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

ইসরায়েলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নতুন নিয়ম এমন সংস্থাগুলোর জন্য প্রযোজ্য করা হচ্ছে যেগুলোকে তারা সন্ত্রাস সমর্থক হিসেবে সন্দেহ করছে। আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (এমএফএস)-এর দুই কর্মী প্যালেস্টাইন সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামি জিহাদ ও হামাসের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘের ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের রোষানলে পড়েছে দাতব্য সংস্থা অক্সফাম এবং প্যালেস্টাইন শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডব্লইএ) ।

ইসরায়েলের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গিলাদ জুইক জানিয়েছেন, তারা তাদের প্যালেস্টাইন কর্মীদের তালিকা দিতে অস্বীকার করছে কারণ তারা জানে যে তাদের মধ্যে কেউ কেউ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত বা হামাসের সঙ্গে সংযুক্ত।

এমন সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে গাজার স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। বিদ্রোহী সংগঠনটি এ ঘোষণাকে অপরাধমূলক আচরণ বলে আখ্যায়িত করেছে। এছাড়া জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর তীব্র সমালোচনা করেছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভোলকার টার্ক এই সিদ্ধান্তকে ‘অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বিভিন্ন রাষ্ট্রকে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েলকে নিন্দা করার আহ্বান জানিয়েছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত ‘জীবনরক্ষাকারী’ সহায়তা পৌঁছাতে বাধা দেবে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের জাতিগত নিধনে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। একই সময়ে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ।

সূত্র : এএফপি

কেএম