ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

তিন ক্যাটাগরির পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক স্থগিত করলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ০৭:১৯ পিএম, ০২ জানুয়ারি ২০২৬

এক বছরের জন্য কাঠের আসবাব, গৃহসজ্জা ও রান্নাঘরের সব সামগ্রীর ওপর থেকে অতিরিক্ত শুল্ক স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলা হচ্ছে, জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

হোয়াইট হাউজের এক তথ্যপত্র অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকা নতুন শুল্ক এখন এক বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে আপাতত আসবাবপত্র, কিচেন ক্যাবিনেট ও গৃহসজ্জার সামগ্রীর ওপর বিদ্যমান শুল্কই বহাল থাকবে।

এর আগে গত বছরের অক্টোবরে হোয়াইট হাউজ গৃহসজ্জার আসবাবপত্র, কিচেন ক্যাবিনেট ও গৃহসজ্জার সামগ্রীর ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল। সেসময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ২০২৬ সালে গৃহসজ্জার সামগ্রী ও কিচেন ক্যাবিনেটের ক্ষেত্রে এই শুল্কের হার বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হবে। একই সঙ্গে কাঠের গৃহসজ্জার আসবাবপত্র, যেমন- সোফা বা চেয়ারের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার পরিকল্পনাও ছিল।

তবে সর্বশেষ এই সিদ্ধান্তের ফলে আপাতত এসব সব পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্কই কার্যকর থাকবে ও তা অন্তত ১ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে।

হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, কাঠজাত পণ্যের আমদানি নিয়ে বাণিজ্যিক পারস্পরিকতা ও জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগ দূর করতে বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে ‘গঠনমূলক আলোচনা’ চলায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে আসবাবপত্রের দাম বাড়তে শুরু করেছে। সর্বশেষ মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এক বছর আগের তুলনায় নভেম্বর মাসে বসার ঘর, রান্নাঘর ও ডাইনিং রুমের আসবাবপত্রের দাম বেড়েছে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ।

হোয়াইট হাউজ যখন প্রথম এই শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়, তখন রেস্টোরেশন হার্ডওয়্যার, ওয়েফেয়ার ও উইলিয়ামস সোনোমার মতো বিদেশ থেকে আসবাবপত্র আমদানি করা প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের বহু পরিবারের মধ্যে জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতোমধ্যে কফি ও কলাসহ ২০০টিরও বেশি খাদ্যপণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক প্রত্যাহার করেছেন।

হোয়াইট হাউজের ভাষ্য অনুযায়ী, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আপাতত ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ কমানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জোরদার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি, আল-জাজিরা

এসএএইচ