যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা বন্ধ, দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশি প্রবাসীরা
তিন বছর, কারও ক্ষেত্রে তারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষায় ছিলেন যে, কবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এক ছাদের নিচে থাকা যাবে। কিন্তু বাংলাদেশিদের জন্য আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত থাকায় সেই অপেক্ষা আরও দীর্ঘ, জটিল ও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফলে পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া, দেশে গিয়ে স্বজনদের দেখা করা কিংবা ভবিষ্যৎ জীবন পরিকল্পনা- সবকিছু নিয়েই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশি।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অনেক বাংলাদেশি বলছেন, হঠাৎ এই সিদ্ধান্তে তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও পেশাগত নানা পরিকল্পনা কার্যত থমকে গেছে। কবে নাগাদ ভিসা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে- এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট সময়সীমা না থাকায় মানসিক চাপ ও উৎকণ্ঠা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
তেমনই একজন হলেন বাকের মজুমদার (নিরাপত্তার স্বার্থে এই প্রতিবেদনে ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়েছে)। তিনি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তিনি জানান, ১৯৯৩ সালে তিনি বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।
তার ভাষ্যমতে, শুরুতে তিনি পেশাগত কাজে যুক্তরাষ্ট্রে যান। তবে পরের বছরই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম বা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেন। সেটি পেতে তার আরও প্রায় এক বছর সময় লাগে। ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পান।
এরপর কেটে যায় আরও এক দশক। ২০০৮ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট কার্ড বা ‘গ্রিন কার্ড’ লাভ করেন। দীর্ঘ ১৬ বছর পর বাবার অসুস্থতার কারণে তিনি বাংলাদেশে আসেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন এবং ২০১২ সালে সেটিও পান।
বর্তমানে তিনি স্ত্রী-সন্তানসহ যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন ও সেখানে কর্মরত। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘গ্রিন কার্ড ও সিটিজেনশিপ পুনর্মূল্যায়ন’ করার অবস্থান এবং বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিতের সিদ্ধান্ত তাকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে। কারণ, এই তালিকায় বাংলাদেশের নামও রয়েছে।
‘নগর পুড়লে দেবালয়ও রক্ষা পায় না’
বাকের মজুমদার জানান, বাংলাদেশ থেকে অনেকেই অবৈধ পন্থায় যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় প্রার্থনা করেছেন। মূলত এ কারণেই ট্রাম্প প্রশাসন নতুন ও পুরোনো- সব ধরনের গ্রিন কার্ড ও সিটিজেনশিপ আবেদন পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
তার ভাষায়, কনসার্নটা এখানেই- আমি যতই বৈধ হই না কেন, এর একটা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব আছে। কারণ নগর পুড়লে দেবালয়ও রক্ষা পায় না। আগুনের তাপটা আমাদেরও লাগে। সেজন্যই, আমার মতো যারা শুরুতে অ্যাসাইলাম সিক করেছেন, এই ঘটনায় তারাও এখন কনসার্নে আছেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে দুইজন ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে গুলি করার ঘটনার পর ট্রাম্প প্রশাসন সব ধরনের আশ্রয়সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত স্থগিত করে। ওই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ‘তৃতীয় বিশ্বের দেশ’ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত করবেন।
এই ঘোষণার দেড় মাসের মাথায় ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করা হচ্ছে। কবে নাগাদ এসব দেশের নাগরিকরা আবার যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা পাবেন, সে বিষয়েও কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।
মার্কিন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রিন কার্ডধারী, নাগরিকত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি এমনকি যারা ঘুরতে বা ভিসার মেয়াদ বাড়াতে বাংলাদেশে যেতে চেয়েছিলেন, তারাও এখন দ্বিধা ও উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।
তেমনই একজন রেহনুমা রহমান (তার ক্ষেত্রেও ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়েছে)। কয়েক বছর আগে তিনি লেখাপড়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। পড়াশোনা চলাকালেই তিনি তার এক সহপাঠীকে বিয়ে করেন, যিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক।
রেহনুমা রহমান আশা করেছিলেন, এ বছরের শেষ নাগাদ তার গ্রিন কার্ড হয়ে যাবে। এরপর তারা বাংলাদেশে ফিরে বিয়ের আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান করবেন। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের ভিসা স্থগিতের ঘোষণায় সেই পরিকল্পনাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
গ্রিন কার্ডধারীদের পরিস্থিতি নিয়ে বাকের মজুমদার বলেন, ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত থাকায় গ্রিন কার্ডধারীরাও এখন স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেশে যেতে পারবেন না।
কেন এই সিদ্ধান্ত, কোথায় প্রবাসীদের শঙ্কা
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন ভিসা স্থগিতের পেছনে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, অভিবাসন আইনের ‘পাবলিক চার্জ’ নীতির আওতায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে যাদের যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাদের অভিবাসন ঠেকানোই এর মূল উদ্দেশ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রধান উপ-মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, স্টেট ডিপার্টমেন্ট তার দীর্ঘদিনের ক্ষমতা ব্যবহার করে এমন সম্ভাব্য অভিবাসীদের অযোগ্য ঘোষণা করবে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সরকারি সহায়তার বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং মার্কিন জনগণের উদারতার অপব্যবহার করবে।
তিনি আরও বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নেতৃত্বাধীন বিভাগটি তাদের প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়নের সময় ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত রাখবে, যাতে এমন বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ রোধ করা যায়, যারা কল্যাণভাতা ও সরকারি সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অবৈধ পথগুলোর পাশাপাশি বৈধ পথও আরও সীমিত হয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বেশ কয়েকজন বাংলাদেশির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নতুন এই সিদ্ধান্তে সবারই ‘ফ্যামিলি প্রায়োরিটি’ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাকের মজুমদার বলেন, গ্রিন কার্ড হোক বা সিটিজেনশিপ—সব ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য। ধরুন, কারও বাবা-মা বা ভাই-বোন অসুস্থ হলেও এখন তাদের ভিসা দেবে না। কারণ স্পন্সরশিপে এসে বেশিরভাগ মানুষই সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে।
তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্ধৃত করে বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ৫৪ শতাংশ মানুষ এই সুবিধা গ্রহণ করে। অর্থাৎ, তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর জনকল্যাণমূলক সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, যা দেশটির অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
তার ভাষায়, আয় কম হলে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পাবলিক সুবিধা পাওয়া যায়। কিছু শর্তে বয়স্করাও এসব সুবিধা নিতে পারেন। কিন্তু অনেকে অপ্রয়োজনেও বা তথ্য গোপন করে এসব সুবিধা নিচ্ছে ও একই সঙ্গে বাংলাদেশে টাকা পাঠাচ্ছে। তখন প্রশ্ন উঠবে- আপনি পর্যাপ্ত আয় করেন না, পাবলিক বেনিফিট নিচ্ছেন, আবার টাকা পাঠাচ্ছেন কীভাবে?
তার মতে, এখন এই ধরনের হিসাব-নিকাশ আরও কঠোরভাবে শুরু করবে মার্কিন প্রশাসন। এতে করে যারা এতদিন স্পন্সরশিপ দেখিয়ে পরিবার-পরিজনকে যুক্তরাষ্ট্রে এনেছেন, তারাও বিপদে পড়তে পারেন।
তিনি বলেন, যারা আগে সাপোর্ট দিয়েছে, তারা এখন ধরা পড়বে। আপনি বলেছিলেন ভরনপোষণের দায়িত্ব নেবেন, কিন্তু সে তো সরকারি সুবিধা নিচ্ছে। অর্থাৎ, সেই দায় এখন আপনার ওপরই পড়বে। ধরুন, আমি আমার আত্মীয়কে এনেছি- তারা পাবলিক সুবিধা নিচ্ছে, এই বারডেনটা আসবে আমার ওপর। ফলে এখন নতুন করে যারা আসবে, আপনার সামর্থ্য যথেষ্ট না হলে ভিসা দেবে না।
বছরের পর বছর ধরে অবৈধভাবে সুবিধা গ্রহণকারীদের কারণে যারা সত্যিকার অর্থে এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, তারাও এখন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন বলে জানান তিনি।
শিক্ষার্থী ও কর্মপ্রত্যাশীদের বাড়তি ঝুঁকি
যুক্তরাষ্ট্রে লেখাপড়া করতে যাওয়া অনেক শিক্ষার্থীও এখন দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। পড়াশোনা শেষ করার পর যে এক থেকে তিন বছরের জন্য চাকরি খোঁজার সুযোগ দেওয়া হয়, সেটিও এখন কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা। স্ট্যাটাস পরিবর্তনের সময় শিক্ষার্থীরা জটিলতায় পড়তে পারেন।
এছাড়া শিক্ষার্থীদের স্পন্সরশিপে কড়াকড়ি আরোপ হলে ভিসা জটিলতা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।
যেসব ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম থাকবে
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দিতে এবং সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট বিভাগ আবেদনকারীদের অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময়সূচিও নির্ধারণ করবে।
তবে এই বিরতির সময়কালে কোনো অভিবাসী ভিসা ইস্যু করা হবে না। তালিকাভুক্ত নয়- এমন কোনো দেশের বৈধ পাসপোর্টধারী দ্বৈত নাগরিকরা এই স্থগিতাদেশের আওতার বাইরে থাকবেন।
এই নির্দেশনার অংশ হিসেবে কোনো অভিবাসী ভিসা বাতিল করা হয়নি বলেও জানিয়েছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট। পাশাপাশি পর্যটন, ব্যবসা ও শিক্ষার্থীদের জন্য দেওয়া নন-ইমিগ্রেন্ট ভিসা এই স্থগিতাদেশের বাইরে থাকবে।
অর্থাৎ, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের তাত্ক্ষণিক সমস্যা না থাকলেও, কেউ যদি পড়াশোনা ছেড়ে ভুল তথ্য দিয়ে চাকরি করেন বা আর্থিক অনিয়মে জড়ান, সেক্ষেত্রে তারাও জটিলতায় পড়তে পারেন।
উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর অবৈধ অভিবাসনের পাশাপাশি বৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণেও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে। পাশাপাশি গত সেপ্টেম্বরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দক্ষ বিদেশি কর্মী হিসেবে বা এইচ-ওয়ানবি ভিসা প্রোগ্রামে যুক্তরাষ্ট্র যেতে আবেদনকারীদের অতিরিক্ত এক লাখ ডলার গুণতে হচ্ছে।
এমনকি গত জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই অবৈধভাবে বসবাস করা পিতামাতার সন্তানদের জন্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সুবিধা বন্ধ করে আদেশ জারি করেছিলেন তিনি।
যেসব দেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা
প্রকাশিত ৭৫টি দেশের তালিকায় দক্ষিণ এশিয়া থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল ও ভুটান। এছাড়া তালিকায় আছে আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামা, বার্বাডোস, বেলারুশ, বেলিজ, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ব্রাজিল, বার্মা, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, আইভরি কোস্ট, কিউবা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ডোমিনিকা, মিশর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনি, হাইতি, ইরান, ইরাক, জ্যামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টিনিগ্রো, মরক্কো, নিকারাগুয়া, নাইজেরিয়া ও উত্তর ম্যাসেডোনিয়া।
এছাড়া রয়েছে কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, রুয়ান্ডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তিউনিসিয়া, উগান্ডা, উরুগুয়ে, উজবেকিস্তান ও ইয়েমেন।
সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামনে নতুন করে অনিশ্চয়তা, মানসিক চাপ ও বাস্তব সংকট তৈরি করেছে—যার প্রভাব পড়ছে পরিবার, পড়াশোনা, কাজ ও ভবিষ্যৎ জীবনের প্রতিটি স্তরে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
এসএএইচ
সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক
- ১ প্রথম বৈঠকে সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র-ডেনমার্ক-গ্রিনল্যান্ড
- ২ ইরানের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিলো জি-৭
- ৩ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা বন্ধ, দুশ্চিন্তায় বাংলাদেশি প্রবাসীরা
- ৪ ভেনেজুয়েলা উপকূলে আবারও মার্কিন হানা, তেলবাহী ‘ভেরোনিকা’ জব্দ
- ৫ ফিলিস্তিনি লেখক বয়কটে উৎসব বাতিল, শেষে ‘নিঃশর্ত ক্ষমা’ প্রার্থনা