ভিডিও ENG
  1. Home/
  2. আন্তর্জাতিক

নতুন অভিবাসন নীতি ঘোষণা করেছে কানাডা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ০২:৪২ পিএম, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নতুন অভিবাসন নীতি ঘোষণা করেছে কানাডা। এক ঘোষণায় নতুন উদ্যোগ চালু করার কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অভিবাসন ব্যবস্থায় গবেষণা ও স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে বিমান চলাচল পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে দক্ষ জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে এবার নির্দিষ্ট কিছু দেশ থেকে সামরিক সদস্যদেরও দক্ষ কর্মী ভিসায় নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন এই বিভাগগুলো প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার লক্ষ্য কানাডায় নতুন স্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা ব্যাপকভাবে হ্রাস করা, দক্ষ কর্মী নিয়োগ করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমাতে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

কানাডা সরকার জানিয়েছে, এই পরিবর্তনের লক্ষ্য হচ্ছে অভিবাসনকে টেকসই স্তরে ফিরিয়ে আনা এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতের জন্য দক্ষ কর্মী খুঁজে বের করা। গত কয়েক বছরে কানাডা সরকার আবাসন এবং সামাজিক পরিষেবার ওপর চাপ কমাতে অভিবাসী সংখ্যা কমানোর চেষ্টা করছে।

অভিবাসনমন্ত্রী লেনা মেটলেগে দিয়াব বলেছেন, ২০২৬ সালে এক্সপ্রেস এন্ট্রি ব্যবস্থায় এই পরিবর্তন দক্ষ অভিবাসীদের এমনভাবে আকর্ষণ করবে, যারা প্রথম দিন থেকেই কানাডার অর্থনীতিতে অবদান রাখতে সক্ষম। কানাডার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে পরিবর্তনশীল অর্থনীতির জন্য প্রস্তুত কর্মীবাহিনীর ওপর।

নতুন বিভাগগুলোতে গবেষক, সিনিয়র ম্যানেজার, পরিবহন খাতের কর্মী যেমন পাইলট, বিমান মেকানিক এবং কানাডিয়ান অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বিদেশি মেডিকেল কর্মী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে কানাডিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর নিয়োগপ্রাপ্ত অত্যন্ত দক্ষ বিদেশি সামরিক আবেদনকারীও অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যার মধ্যে সামরিক ডাক্তার, নার্স এবং পাইলট অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমাতে চাওয়া কার্নি মঙ্গলবার একটি নতুন প্রতিরক্ষা কৌশল ঘোষণা করেছেন যার লক্ষ্য আগামী দশকে প্রতিরক্ষা-সম্পর্কিত গবেষণা ও উন্নয়নে সরকারি বিনিয়োগ ৮৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা, প্রতিরক্ষা শিল্পের রাজস্ব ২৪০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি করা, প্রতিরক্ষা রপ্তানি ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করা এবং ১ লাখ ২৫ হাজার পর্যন্ত মানসম্পন্ন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা।

অন্যান্য ন্যাটো সদস্যদের মতো কানাডা ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের ৫ শতাংশে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

টিটিএন